সোমবার ১৪ জুন, ২০২১

'সেলিম ওসমান হারাম খায় না, হারাম খাইতেও দেয় না'

শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১, ১১:২৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান বলেছেন, আমি যতক্ষণ বেচে থাকবো আমি আমার সাতটা ইউনিয়ন নিয়ে কাজ করবো, উন্নয়ন করবো। এবং সিটি কর্পোরেশনের যারা আছেন যদি চান আমার সাথে যে কোন মুহুর্তে বসতে পারেন। আমি আজকে সাত বছর কয়েকজনের সাথে বসতে পারছি না। এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃখ। যদি আমরা জনপ্রতিনিধিরা এক সাথে বসতে পারি তাহলে উন্নয়ন গড়গড় করে এগিয়ে যাবে নারায়ণগঞ্জে।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) মুছাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, সবাই একসাথে বসতে পারলে নারায়ণগঞ্জে মশা থাকবে না, যানজট থাকবে না, হকার নিয়ে সমস্যা হবে না। এইগুলো রাজনীতি বলে না। রাজনীতি এক জিনিস আর দায়িত্ব আরেক জিনিস। বসেন, সমস্যার সমাধান করেন। অর্থ দিয়ে সব হয় না। অনেকে বলেন আমি দান করি। আমি যদি দান করি ডান হাত দিয়ে করলে বাম হাত জানবে না। সেটাকে বলে দান। আমার নৈতিক দায়িত্ব ছিল। আমি এখানকার সংসদ সদস্য। এখানে উন্নয়ন করতে হবে। তাই উন্নয়নমূলক কাজ করছি।

সেলিম ওসমান বলেন, বন্দরে কোন অভাব থাকবে না। বন্দরের মানুষ প্রাচ্যের ডান্ডির মানুষ। তারা পাট উৎপাদন করে বৈদেশিক মুদ্রা এনেছে বলে আজকের বাংলাদেশ। আমরা একসময় অনেক বিত্তবান ছিলাম। নারায়ণগঞ্জ আবারও বিত্তবান হবে। আপনাদের পরিশ্রম ও সহযোগীতা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাবো। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা তৈরি করবো। বঙ্গবন্ধুকে যে মানে না, বঙ্গবন্ধুর কাজ যে করে না তাকে আমরা দেশদ্রোহী মনে করবো। আমাদের অনেকে অনেক কথাই বলবে। আমাদেরকে মাথা নত করে শুনে যেতে হবে। একটা থাপ্পর দিলে আরেকটা থাপ্পর গাল পেতে দিব। কিন্তু আমরা ঝগড়া-বিবাদে যাবো না। সেলিম ওসমানের যত লোক নাসিম ওসমানের তত লোক ছিল না। প্রথমবার আমি এসেছিলাম নাসিম ওসমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। সেলিম ওসমান যা বলে তাই করে। যা বলে না তা করে না। সেলিম ওসমান হারাম খায় না, হারাম খাইতেও দেয় না।

জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে চাহিদা আমার যে ৫ জন চেয়ারম্যান ছিলেন তাদেরকে যদি আপনারা ফিরিয়ে দেন। নারায়ণগঞ্জের সদরের দিকে দুটি ইউনিয়নের মধ্যে এক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মৃত্যুবরণ করেছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আরেকজনকে প্রস্তুত করেছি জসিম উদ্দিনকে। সাত জন চেয়ারম্যান আমি যদি পাই, মেম্বারদেরকে যদি পাই, কাউন্সিলরদেরকে যদি পাই আমি আপনাদের সাথে কথা দিয়ে গেলাম আমার যদি মৃত্যু না হয় জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আপনাদের উন্নয়নে আমার সময় ব্যয় করবো।

মহানগর বিএনপির সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমার স্নেহের মুকুল। মাঝে মাঝে সে আমাকে বলে দাওয়াত পাই নাই। মুকুল উন্নয়ন করতে জানে। শুধু ক্ষমতার দরকার নাই উন্নয়নের জন্য। এলাকার প্রত্যেকটি মানুষই তার উপকার বুঝতে পারে।

মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বন্দর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু, বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজিম উদ্দিন, বন্দর ইউপির চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, ধামগড় ইউপির চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ, আলিরটেক ইউপির চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি, নাসিক ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জমশের আলী ঝন্টু প্রমুখ।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ