সোমবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

জমে উঠেনি শহরের কাঁচা বাজারগুলো

শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮, ২১:৫৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: রমজান মাস পেরিয়ে ঈদের ৭ম দিনেও কেটে গেছে। কাটেনি ঈদের আমেজ, বাজার এখনও অনেকটা ফাঁকা। শহরের ব্যস্ততম কাঁচা বাজারগুলো এখনো ফিরে পাইনি তার পুরনো চেহারা। শুক্রবার (২২ জুন) নগরীর দিগুবাবু বাজার ঘুরে দেখা যায়, নগরীর সবচাইতে ব্যস্ততম এই কাঁচা বাজারে যেখানে অন্যান্য দিন পা ফেলার জায়গা থাকে না তা অনেকটাই ফাঁকা।

বাজারে নতুন চাল আসায় কমেছে চালের দাম। সবজির দাম কমলেও আকাশ ছুয়েছে মাছের বাজার, নেই কোনো ক্রেতা। বিক্রেতা ও দু-চার জন ক্রেতা ছাড়া কেউ। মাছ বিক্রেতা সিরাজ প্রেস নারায়ণগঞ্জকে জানান, ঈদের ছুটি কাটিয়ে মানুষ এখনো আসা শুরু করে নাই, বাজার ফাকা। বেশি দাম দিয়া মাছ আইন্না এখন লসে বেচতাসি।

কমেছে সবজির দাম। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পেঁপে কেজি ৬০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, পটল ৪০ টাকা থেকে কমে ২০ টাকা, কাচা মরিচ ১০০ থেকে কমে ৪০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। লতি ৪০ টাকা কেজি, উস্তা ৬০ টাকা কেজি, বেগুন ৭০ টাকা কেজি, কহি ৩০ টাকা কেজি, টমেটো ১০০ টাকা কেজি, গাজর ৬০ টাকা কেজি, কচুমুখি ৫০ টাকা।

দেশি পেয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ইন্ডিয়ান পেয়াজের দাম। বিক্রেতারা জানান, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে বর্ডার দিয়ে পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় ইন্ডিয়ান পেয়াজের সর্বারাহ নেই, তাই দাম বেশি।

লাউ শাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, পালং শাক, মুলা শাক, পাটশাক, লালশাক কিছুদিন আগেও ২০ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এই সপ্তাহ তা বেড়ে ৪০ টাকা কেজি হয়েছে। দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে বিক্রেতারা জানান, বিগত দিনগুলোর বৃষ্টির কারণে শাক পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

বেড়েছে মাছের দাম। মাছ বিক্রেতা মঙ্গল বর্মণ প্রেস নারায়ণগঞ্জকে জানান, ঈদের সময় মাছের দাম যা ছিল এখনো তাই আছে। জেলেরা ছুটিতে আছে যার কারণে মাছ ধরা হচ্ছে না।

কেজিতে ৫০০ টাকা বেড়েছে ইলিশ মাছের দাম। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায় এবং মাঝারি ১৫০০ টাকা। কাতল ৩৫০ টাকা কেজি, বড় তেলাপিয়া ৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৫০০ টাকা কেজি, রুই মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, বড় বাইল্লা মাছ ১০০০ টাকা কেজি, চাষের পাবদা ৬০০ টাকা কেজি, চাষের শিং মাছ ৩০০ টাকা, দেশি শিং মাছ ১৫০০ টাকা কেজি, চেউয়া মাছ ৬০০ টাকা কেজি এবং ছোট চিংড়ি ভাগা ১০০ টাকা।

বাজারে নতুন চাল আসায় কমেছে চালের দাম। লতা চাল ৪২ টাকা, পুরাণ লতা ৪৫ টাকা কেজি, নতুন মিনিকেট চাল ৫২ টাকা কেজি, নাজিরসার ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মুসুর ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি, মুগ ডাল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি, খেসারী ডাল ৬০ টাকা কেজি। খোলা ভজ্য তেল ৯০ টাকা কেজি এবং বোতলজাত তেল ৯৮ টাকা কেজি। আদা ৮০ টাকা কেজি, রসুন ৬০ টাকা কেজি।

স্থিতিশীল রয়েছে মাংসের দাম। বয়লার মুরগি ১৪৫ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ১৯৫ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৫০০ টাকা কেজি, খাসির মাংস ৭২০ টাকা কেজি, বরকি ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সব খবর
অর্থনীতি বিভাগের সর্বশেষ