শুক্রবার ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

২২০ টাকায় মিললো ৫টি পেঁয়াজ

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৪৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকুরিজীবী আরিফুল ইসলাম। ছুটির দিন ছাড়া বাড়ির কোনো কাজ করারই সময় পান না। এমনকি প্রতিদিনের বাজারটাও করতে হয় এই ছুটির দিনে। তাই প্রতি শুক্রবার নিয়ম করে বাজারে যান তিনি। গত সপ্তাহে বাজারে এসে জানতে পারেন পেঁয়াজের দাম চড়া। তাই অল্প করেই কিনেছিলেন। ভেবেছিলেন আগামী সপ্তাহে দাম হয়তো কমে যাবে। তখন বেশি করে কিনে রাখতে পারবেন। স্বামীর আনা অল্প কিছু পেঁয়াজ দিয়ে কোনো রকমভাবে সারাসপ্তাহ সংসার চালিয়ে নিয়েছেন স্ত্রী আমেনা আক্তার। তবে সপ্তাহ শেষে শুক্রবার সকালে বাজারে গিয়ে চমকে উঠলেন আরিফুল। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১২০ টাকা। পেঁয়াজের দামের এমন উর্ধ্বগতি ভাবিয়ে তোলে তাকে। পুরো বাজার ঘুরে শেষে ২২০ টাকা দরে এক কেজি পেঁয়াজ কিনেই বাড়ি পথে রওয়ানা হন তিনি।

অবিশ^াস্য হলেও আরিফুল ইসলাম ২২০ টাকায় মাত্র ৫টি পেঁয়াজই কিনেছেন। ৫টি পেঁয়াজের ওজন এক কেজি। আরিফুল বলেন, ‘দাম বেশি হওয়ায় মাত্র এক কেজি পেয়াজ কিনতে হয়েছে। ২২০ টাকায় মাত্র ৫টি পেঁয়াজই পেয়েছি। পেঁয়াজগুলো বেশ বড় বড়। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ তো, একেকটা ওজনে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম।’

এমন চিত্র দেখা গেল কাশীপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজারে। একই চিত্র শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন বাজারে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে নগরীর প্রধান কাঁচাবাজার দিগুবাবুর বাজার সারেজমিনে ঘুরে দেখা যায় কিছু দৃশ্য। আরিফুল ইসলামের মত অনেকে ক্রেতাই বড় আকারের গুটি কয়েক পেঁয়াজ নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

বিক্রেতারা জানান, বড় আকারের এই পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে চীন ও মিসর থেকে। লাল বা কালচে লাল রঙের একেকটি পেঁয়াজের ওজন ২০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম পর্যন্ত।

তারা আরো জানান, বেশকিছু দিন যাবৎ ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চীন ও মিসর থেকে এ রকম বড় পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই পেঁয়াজের দাম ১০-২০ টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকালও পেঁয়াজের দাম ছিল ১৮০ টাকা কেজি। আজ আবার দাম বেড়ে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা হয়েছে।

সব খবর
অর্থনীতি বিভাগের সর্বশেষ