সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় জড়িত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের ২ জন

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ০০:১৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ঘৃণ্য ও বর্বরোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের ২ জন। একজন র‍্যাবের সঙ্গে ক্রসফায়ারে নিহত আলোচিত যুবদল নেতা মমিনউল্লাহ ডেভিডের ছোট ভাই শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল। গ্রেনেড হামলা মামলার জুয়েল ৮ নাম্বার আসামি। জড়িত থাকার দায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে বর্তমানে কারাগারে বন্দী। অপর আসামির নাম ছিল শুভ ওরফে তৌফিক। কিন্তু গ্রেনেড হামলায় ঘটনায় জবানবন্দীতে শুভ ওরফে তৌফিকের নাম এলেও তদন্তে তার পুরো পরিচয় বের করতে পারেনি সিআইডি। তাই অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়নি।

২০০৫ সালের ১ অক্টোবর গ্রেপ্তারের পর মুফতি হান্নান টিএফআই (টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন) সেলে জবানবন্দিতে হামলাকারী হিসেবে নারায়ণগঞ্জের শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল ও শুভ ওরফে তৌফিকসহ একাধিক আসামির নাম জানান।

এরপর জুয়েলকে ২০০৭ সালের ২৭ নভেম্বর শহরের মিশনপাড়ার বাসা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১১। রিমান্ডে থাকাকালীন জুয়েল ২০০৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুজ্জামান জিলানীর কাছে জবানবন্দীতে স্বীকার করেন বোমা হামলার ঘটনায় মুফতি হান্নান, ভারতের দিল্লীতে কারাবন্দী আনিসুল মোরসালিন ও মুহিবুল মুত্তাকিন, হুজির সামরিক কমান্ডার আহসান উল্লাহ কাজল, হুজি তোতা, হুজি আবু জানদাল সহ কয়েকজন জঙ্গী নেতা জড়িত।

এই মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

জুয়েল একই সঙ্গে ২০০১ সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগ অফিসে বোমা হামলায় ২০ জন নিহত হওয়ার মামলার ১২ নাম্বার আসামী। তাকে সহ ৬জনকে জড়িয়ে ইতোমধ্যে চার্জশীট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। ওই মামলাটি এখন বিচারাধীন। চাষাঢ়া বোমা হামলা ছাড়াও জুয়েল রমনায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় চার্জশীটভুক্ত আসামী। জুয়েল নারায়ণগঞ্জ শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ছিলেন।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ