রবিবার ২১ জুলাই, ২০১৯

হামলার শিকার হয়েও মামলার আসামি হয়েছিলেন শামীম ওসমান

শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯, ২২:৪৫

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাড়ায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ অফিসের বোমা হামলার ঘটনায় শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা বাদী হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করে হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে ওই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমানকে আসামি করেও একটি মামলা দায়ের করা হয়। বোমা হামলায় নিহত ফুটপাতের পিঠা, পান ও সিগারেট বিক্রেতা হালিমা বেগমের ছেলে কালাম বাদী হয়ে শামীম ওসমান ও তার দুই ভাইসহ আরো অনেককে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এড. খোকন সাহার দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। অন্যদিকে কালামের মামলাটি পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।

২০০১ সালের ১৬ জুন। নারায়ণগঞ্জের শান্ত সন্ধ্যাটি হঠাৎ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে প্রবল এক বিস্ফোরণে। চাষাঢ়ায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সংঘটিত সেই বিস্ফোরণে মেঝে ভরে ওঠে রক্তে। চারদিক থেকে কেবল আর্তনাদ শোনা যায়। এই বোমা হামলায় ২০ জন প্রাণ হারায়।

নিহতরা হলেন, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল হাসান বাপ্পী, সহোদর সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রছাত্রী সংসদের জিএস আকতার হোসেন ও সঙ্গীত শিল্পী মোশাররফ হোসেন মশু, সঙ্গীত শিল্পী নজরুল ইসলাম বাচ্চু, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দোলোয়ার হোসেন ভাসানী, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবিএম নজরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সাইদুর রহমান সবুজ মোল্লা, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী পলি বেগম, ছাত্রলীগ কর্মী স্বপন দাস, কবি শওকত হোসেন মোক্তার, পান সিগারেট বিক্রেতা হালিমা বেগম, সিদ্ধিরগঞ্জ ওয়ার্ড মেম্বার রাজিয়া বেগম, যুবলীগ কর্মী নিধুরাম বিশ্বাস, আব্দুস সাত্তার, আবু হানিফ, এনায়েতউল্লাহ স্বপন, আব্দুল আলীম, শুক্কুর আলী, স্বপন রায় ও অজ্ঞাত এক নারী। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানসহ আরো অর্ধশতাধিক আহত হয়। তার ব্যক্তিগত সচিব ও মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, যুবলীগ কর্মী রতন দাস দুই পা হারিয়ে চিরতরে বরণ করেছেন পঙ্গুত্ব।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ