সোমবার ২০ আগস্ট, ২০১৮

হত্যার নেপথ্যে তৃতীয় পক্ষটি কে?

শনিবার, ১৪ জুলাই ২০১৮, ২৩:১৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: শহরের কালিরবাজারের আলোচিত স্বর্ন ব্যবসায়ী প্রবীর ঘোষ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে পিন্টু দেবনাথ স্বীকারোক্তী দিলেও ‘তৃতীয়’ একটি পক্ষের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। ওই পক্ষটি প্রবীর ও পিন্টুর মধ্যে ফাটল ধরায় এবং প্রবীরকে পিন্টুর কাছে বিষিয়ে তোলে। পক্ষটি পিন্টুর কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে। যা পিন্টু স্বীকাে করেছে। কিন্তু সেই পক্ষটি কে? জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এস আই মফিজুল ইসলাম পিপিএম শনিবার (১৪ জুলাই) বিকালে আদালতে পিন্টুর জবানবন্দি চলাকালে আদালত প্রাঙ্গনে গণমাধ্যমকে জানান, শুধু মাত্র অর্থের জন্য হত্যার কারণ ছিল না। হত্যার কারণগুলো ছিল প্রবীরের বন্ধকি স্বর্ণ আত্মসাত, বিভিন্ন সময়ে প্রবীরের রূঢ় আচরন এবং নারী কেলেংকারীতে পিন্টুকে ফাঁসিয়ে দেয়া ও পিন্টুর ব্যবসার পুঁজি দখল করবে প্রবীর এমন প্ররোচনা দাতার কু-প্ররোচনা শুনে পিন্টু ক্ষুব্দ হয় প্রবীরের উপর। তৃতীয় একটি পক্ষ পিন্টু ও প্রবীরের মাঝে কাজ করেছে। কিন্তু কে সে? এ প্রসঙ্গে এস আই মপিজুল ইসলাম বলেন, ধরেন আপনার বন্ধু হলেন গিয়া প্রবীর, আপনি হলেন গিয়ে মধ্যের একটা ব্যক্তি। পিন্টুকে ডেকে বললেন এই প্রবীর ও তোর কি হয়? পিন্টু বলে বন্ধু হয় বা ভাই হয়। একসাথে ব্যবসা করি। তখন মধ্যের লোকটা বলে বন্ধু না ছাই? শুনবি? লাউড দিয়া কথা শোনাই? এই প্রবীর, পিন্টুর খবর কি? ও শালারে দেখিনা অনেকদিন। ওরে নারী দিয়া উলঙ্গ করে ছবি উঠাইয়া ডিবি দিয়া ধরাইয়া দিই। এই ভাবে এই কথাটা কয়েকদিন বলছে। এই লোকটা এই কথাগুলো বইলা পিন্টুর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নিছে। এই লোকটার নাম বলা যাবে? এসআই মফিজ বলেন, ধরার পরে বলবো।

তিনি আরো বলেন, প্রবীরের রূঢ় আচরন ও ৬৫ হাজার টাকা চুরির অপবাদে ক্ষুব্দ ছিল পিন্টু।

পিন্টুর মধ্যে আরেকটা ক্ষোভ কাজ করছে, পিন্টু দাবী করেছে যে, আমার ওস্তাদের বৌ (অপ র স্ত্রী শীলা রানী)। আমার মায়ের মতন। তার সাথে থাকি, তার ছেলে বড় বড়। তারা আমার নামে অপবাদ দেয়। মানসিক চাপ, চুরির অপবাদ। অপুর বেী এর সাথে সর্ম্পক। এরা আমার নামে অপবাদ দেয়। এটাই তো ও বলে আমি তো অপরাধ করছি , এটা ঠিক আছে। কিন্তু অপরাধটা কেন করে? এই যে মানসিক চাপ, সবাই আমারে অপবাদ দিচ্ছে, অপুর বৌ এর সাথে সর্ম্পক, চুরির অপবাদ। বিভিন্ন অপবাদের কারণে এবং গোপনে এক ব্যক্তির প্ররোচনা। ওই ব্যক্তি বলে নারী দিয়ে পিন্টুকে ধরিয়ে প্রবীর ধরিয়ে দিবে। পরে ছাড়িয়ে আনতে টাকা লাগবে। টাকা পাবি কাই। ছাড়াইতে গিয়ে দোকান বেচতে হবে। বেচলে ও (প্রবীর) কিনবো। এই যে, শালায় (প্রবীর) আমার বন্ধু হইয়া শত্রু। এই প্ররোচনাকারী ব্যক্তি ব্যবসায়ী নয়, ফ্রড। এলাকায় থাকে আর চিটিংবাজী করে খায়।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ