শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সোনারগাঁয়ে নিহত প্রসূতি আমান্তিকার পরিবারের পাশে ডা. সেলিনা

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:১৫

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: সোনারগাঁওয়ে প্রসূতি আমান্তিকার মৃত্যুতে তার স্বজনদের সমবেদনা জানাতে তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. সেলিনা আক্তার।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি আমান্তিকার শ্বশুরবাড়ি মোগড়াপাড়া ইউনিয়নের বড় সাদিপুর গ্রামে যান। সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় অবস্থান করে তাদের সান্ত¡না দেন।

এ সময় ড. সেলিনা আক্তার কিভাবে ‘ভুল’ চিকিৎসায় আমান্তিকা মারা যান তার খোঁজ খবর নেন এবং আমান্তিকার পরিবারকে সান্ত¡না দিয়ে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে তিনি আমান্তিকার শিশুটিকে কোলে তুলে আদর করে বলেন, শিশুটি পালন-পালন করার জন্য তার কোন সহযোগিতা লাগলে তাদের পরিবারের পাশে থাকবেন বলেও আশ্বস্ত করেন। এছাড়া আমান্তিকার মৃত্যুর জন্য যারা যারা দায়ী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের সবার গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়ে আমান্তিকার শিশু সন্তানের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় তার সাথে ওয়ার্ড মহিলা মেম্বারসহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, নিহত আমান্তিকা (২০) সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বড় সাদিপুর গ্রামের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী। গত শুক্রবার প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে তাকে সোনারগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানান স্বজনরা।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালের চিকিৎসক নূরজাহান বেগম তাঁর অস্ত্রোপচার করেন আর নার্সরা সেলাই করেন। অস্ত্রোপচারের পরও তার পেটের ভেতরে গজ ও টিস্যু থেকে যায়। যার ফলে প্রসূতির পেটে ব্যাথা শুরু হয়। পরে বিষয়টি চিকিৎসক নূরজাহানকে জানালে রোগীকে নারায়ণগঞ্জের কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। ওই হাসপাতালে ফের তার অস্ত্রোপচার করা করে গজ ও টিস্যু পেপার বের করেন। ওই সময় জরায়ুতে ক্ষত সৃষ্টি হলে রোগীর স্বজনদের অনুমতি নিয়ে জরায়ু কেটে ফেলে দেন। জরায়ু কেটে ফেলার পর রোগীর অবস্থা আরো আশঙ্কাজনক হলে তাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়ার পর সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রোগী মারা যান।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ