মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২০

সাংবাদিকের ছেলেকে মারধর, চিহ্নিত হয়নি হামলাকারীরা

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:০৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: চাষাঢ়ায় সাংবাদিকের ছেলেকে মারধরের ঘটনার ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও হামলাকারী কিশোর গ্যাংয়ের কাউকে চিহ্নিত করে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিক মহল।

হামলার শিকার কলেজ ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক হামিমের ভাষ্যমতে, গতকাল রোববার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার শহরের চাষাঢ়ায় ডাকবাংলোর বিপরীত পাশে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে কিশোর গ্যাংয়ের অতির্কত হামলার শিকার হয় সে। হামলার শিকার হামিম দৈনিক নিউএজ পত্রিকার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জীবনের বড় ছেলে।

হামিম জানায়, সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার দিকে কলেজ রোড এলাকায় কোচিং শেষ করে বাসায় ফেরার পথে ডাকবাংলোর বিপরীত পাশে ১৬-২০ বছর বয়সী একদল ছেলে পেছন থেকে নাম ধরে ডেকে গতিরোধ করে। এ সময় হামিমকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে এলোপাথারি মারধর করতে থাকে।

হামিম বলেন, কোনো উপায় না দেখে, আমি দৌড়ে ডাকবাংলোর মোড়ে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশকে জড়িয়ে ধরি এবং আমাকে বাঁচাতে অনুরোধ করি। সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে দৌড়ে এসে ট্রাফিক পুলিশের কাছ থেকে আমাকে ছিনিয়ে নিতে চায়। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ আমাকে চাষাঢ়া ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। সেখানে আমি পুলিশ প্রহরায় অবস্থান করি। এ সময় আমার পিতাকে ফোন দিলে তিনি এসে আমাকে পুলিশ বক্স থেকে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে নিয়ে যান।

হামিমের পিতা সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জীবনসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার চব্বিশ ঘন্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও হামলাকারী ওই কিশোর গ্যাংয়ের কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি।

এদিকে সাংবাদিকের ছেলের উপর এ ধরণের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ। অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেনের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি জরুরি মিটিংয়ে ব্যস্ত আছেন বলে জানান। অন্যদিকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে বলতে পারবো।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ