বৃহস্পতিবার ২৪ অক্টোবর, ২০১৯

সদর ইউএনও’র হস্তক্ষেপে ফতুল্লায় বাল্যবিয়ে বন্ধ

বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:৫১

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্য বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক। এ সময় তিনি ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজনকে বাল্য বিয়ে না দেওয়ার জন্য কড়া হুশিয়ারি প্রদান করেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে যদি আবারও বিয়ের আয়োজন করা হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুশিয়ার করে দেন ইউএনও নাহিদা বারিক।

বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরে ফতুল্লার রামারবাগ এলাকায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে দেওয়া হচ্ছে খবর পেয়ে ছুটে যান ইউএনও নাহিদা বারিক। পরে তিনি বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন।

এদিকে এই ছাত্রীকেই কয়েকদিন পূর্বে মুন্সিগঞ্জে বাল্যবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সে সময় মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসিনা আক্তারের হস্তক্ষেপে ওই বিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। পরে তাকে নারায়ণগঞ্জে আবারও বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও নাহিদা বারিকের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় রামারবাগ এলাকার আবদুর রবের ছেলে বরকত উল্লাহর সঙ্গে মুুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি এলাকার মোক্তার হোসেন শেখের ১৫ বছরের কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক বলেন, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে সব আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে কথা দিয়েছেন পরিবার। অন্যদিকে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে ছেলের বউ করবেন না বলেও জানিয়েছে ছেলেপক্ষ।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ