রবিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

সত্তরভাগ মুক্তিযোদ্ধার ডায়বেটিস নেই

রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ২২:১৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বয়স সত্তরের আশে-পাশে হলেও সত্তরভাগ মুক্তিযোদ্ধার ডায়বেটিস নেই। যাদের ডায়বেটিস আছে তাদের মধ্যে নব্বইভাগের ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে বিনামুল্যে ডায়বেটিস রোগ পরীক্ষা ক্যাম্প শেষে পরীক্ষাকারিরা এ তথ্য জানান। যদিও এ ক্যাম্প ছিলো সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত। এ আয়োজনে সহযোগিতা করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দিনভর নগরীর টার্মিনাল খেয়াঘাট এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পে টেকনিক্যাল সহায়তা দেয় সার্জিটা লিঃ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার খন্দকা জিয়াউল হক বলেন, সাড়াদিনে আমরা তিনশ পঞ্চাশ ব্যাক্তির ডায়বেটিস পরীক্ষা করেছি। এর মধ্যে আটচল্লিশজন মুক্তিযোদ্ধার ডায়বেটিস পরীক্ষা করা হয়। আমাদের কাছে রক্ষিত হিসাব অনুযায়ি সত্তর ভাগ মুক্তিযোদ্ধার ডায়বেটিস নেই। যাদের ডায়বেটিস আছে তাদের মধ্যে নব্বইভাগের ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। দশভাগের ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনের বাইরে।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার এডভোকেট নুরুল হুদা, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কমান্ডার শাজাহান ভূইয়া জুলহাস, যুদ্ধকালীন কমান্ডার আমিনুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি শরীফ উদ্দিন সবুজ, সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রাজিব, সদস্য জহিরুল ইসলাম, আব্দুল মকিদ প্রমুখ।

ডায়বেটিস রোগ না থাকার এ রহস্য সম্পর্কে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার এডভোকেট নুরুল হুদা বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে আমরা প্রচন্ড কষ্ট সহ্য করেছি। যা বলে বোঝানোর মতো না। পরবর্তী জীবনে বেশিরভাগের কায়িক শ্রমের অভ্যাসটি রয়ে গেছে। কায়িক শ্রমের সে অভ্যাস থেকে আমাদের না হাঁটলে ভালো লাগেনা, কায়িক শ্রম না করলে ভালো লাগেনা। এটি হয়তো একটি কারন। আরেকটি কারন আমি মনে করি মানুষের দোয়া। যেসব নারীর সম্ভ্রব বাঁচিয়েছি, যেসব মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি, যাদের সম্পদ রক্ষা করেছি, সন্তানদের রক্ষা করেছি, দেশ এনে দিয়েছি সেসব দোয়ার কারনে হয়তো আমাদের এই সুস্থতা।

সব খবর
সংগঠন সংবাদ বিভাগের সর্বশেষ