সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সংবাদ প্রকাশের পর বিকেএমইএ’র সেই ভবনে সিটি কর্পোরেশন

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ১৮:১০

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: চাষাঢ়ায় খাজা মার্কেটের পেছনে নবাব সলিমউল্লাহ সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ নীটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং এবং এক্সপোর্টিং এসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এর নির্মাণাধীন একটি ভবনের বেজমেন্টে বছরের পর বছর জমে আছে বৃষ্টির পানি। এই পানি অপসারণে বিকেএমইএ’র কোন উদ্যোগ না থাকাতে অনায়াসেই ডেঙ্গু জ্বরের জীবানু বহনকারী এডিস মশাসহ বিভিন্ন মশা জন্ম নিচ্ছে। প্রেস নারায়ণগঞ্জে এমন সংবাদ প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে স্থানটি পরিদর্শন করেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। মশক নিধনে কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ মো. মঈনুল ইসলাম।

মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘বিকেএমইএ’র নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে আছে এমন সংবাদের পর বৃহস্পতিবার আমরা আমাদের পরিচ্ছন্ন ও মেডিকেল বিভাগের কর্মীদের সেখানে পাঠাই। পরে সেখানে মশক নিধনের লক্ষ্যে ওষুধ ছিটানো হয়েছে। আগামীকাল আবারো সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

বিকেএমইএ সূত্রে জানা গেছে, বিকেএমইএ চাষাঢ়ায় নবাব সলিমুল্লাহ রোডে খাজা সুপার মার্কেটের পেছনের অংশে ২০০৪ সালে ৬৫ লাখ ৪৬ হাজার ৫শ’ টাকা মূল্যে ১০ দশমিক ৬২ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিল। যেখানে ২০১৬ সালের ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া ইজিএমে সদস্যবৃন্দরা বিকেএমইএ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ১৫ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে কমপ্লেক্স নির্মাণে ভবনটির বেজমেন্ট ও গ্রাউন্ড ফ্লোর তৈরিতে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু বিকেএমইএ’র ক্রয়কৃত জায়গার সামনের অংশের কিছু পরিমাণ জমির মালিকানা দাবি করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। ওই জমির ব্যক্তিগত মালিকানারও দাবি উঠেছে। এই জমি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের দায়ের করা একটি মামলা চলমান রয়েছে। একাধিক মালিকানা দাবি ও জমি নিয়ে মামলা জটিলতার কারণে ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ থাকলেও আংশিক নির্মিত ভবনটির বেজমেন্টে জমে আছে বৃষ্টির পানি। প্রায় দুই বছর যাবৎ ভবনটির নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিকেএমইএ।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ