বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল, ২০১৯

শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকদের ছায়া: পলাশ

সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯, ২২:১৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: জাতীয় শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যান বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ পলাশ বলেছেন, শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকদের ছায়া, আর নেতৃবৃন্দ হচ্ছে তাদের অভিভাবক। সংগঠনভুক্ত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি থেকে বঞ্চিত করা যায় না। সংগঠন ভুক্ত শ্রমিকের দাবি আদায়ে সরকারি সহযোগিতা থাকে। এছাড়াও ঘটনা দূর্ঘটনায় নিহত ও আহত শ্রমিকরা সরকারি অনুদান পায়। তাই সকল শ্রমিকরা তাদের কাজ অনুযায়ী সরকারি রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত শ্রমিক সংগঠনে সদস্য হবেন এবং সরকারি ৫৫ ফরম পুরণ করে রাখবেন।

সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় ফতুল্লার আলীগঞ্জে ফতুল্লা থানা লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের নিহত ও আহত সদস্যদের দূর্ঘটনায় ক্ষতিপূরনের আদায়কৃত টাকা বুঝিয়ে দেয়া লক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রমিক নেতা পলাশ আরো বলেন, শ্রমিকের দাবি দাওয়া, সুযোগ-সুবিধা সহ যে কোন ক্রাইসিস বিষয়ে দেশে সর্বোচ্চ জায়গা ও বিশ্ব দরবারে কথা বলি। এই সুযোগ আপনারা শ্রমিক ভাইরাই করে দিয়েছেন। তাহলে আমাকে কেন আপনারা ব্যবহার করেন না। আমি চাই আমার সকল শ্রমিক ভাইরা শ্রমিক বান্ধব জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে। নিহত ও আহত লোড আনলোড শ্রমিকের ক্ষতিপূরনের টাকা আদায় করে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সকলকে আগামী মে দিবস সফল করার লক্ষে প্রস্তুত থাকার আহবান করে।

সভায় ফতুল্লা থানা লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গির আলমের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পিয়াস আহমেদ সোহেল, আন্তঃজিলা ট্রাক চালক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম, কুন্ডা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ নাছির, ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওর্য়াকার্সের জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক কবির হোসেন রাজু, বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক আনিস মাষ্টার, শ্রমিক নেতা ইদ্রিস, ওয়াহিদ ও ইমান আলীসহ আরো অনেকে।

সভায় সাধারন সম্পাদক জানান, ১০ মার্চ রাত ৮ টায় কেরানীগঞ্জ থানাধীন মাওলা ঘাট এলাকায় এমবি তাকওয়া বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় লোড আনলোড শ্রমিকবাহী ট্রলার ডুবে গিয়ে একজন শ্রমিক নিহত ও চারজন গুরুতর আহত হয়। পরে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানায় তদন্ত ওসির উপস্থিতিতে বাল্কহেড মালিকের কাছ থেকে ঐ ঘটনার ক্ষতিপূরন বাবদ ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরন আদায় করা হয়। আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে নিহত সতিন্দ্র চন্দ্র দাস (৫৫) এর স্ত্রী ও ছেলে মেয়ের হাতে ১ লক্ষ ১০ হাজার এবং আহত চারজন জুম্মন ঠাকুর (৪৫), কাঞ্চন বালা (৪০), ইরমিলা (৪৫) ও লক্ষীরানীকে (৪৫) ৫ হাজার করে মোট ২০ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেয়া হলো।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ