সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯

শেষ সময়ে জমেছে ঈদ বাজার

শনিবার, ১০ আগস্ট ২০১৯, ২২:২৩

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ঈদের বাকি আর মাত্র এক দিন। মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। ঈদের এই খুশিকে ভাগাভাগি করে নিতে সকলের মাঝেই থাকে এক ভিন্ন আমেজ। তাই চলছে শেষ মুহুর্তের কেনাকাটা। কেনাকাটা করতে পরিবার নিয়েই এসেছেন অনেকে। যদিও এ ঈদে প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে পশু কোরবানি দেয়া, তারপরও এই ঈদেও পোশাক কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে থাকে অনেকেই। ফুটপাত থেেক শুরু করে সব জায়গাতইে মানুষের ভিড়।

শনিবার (১০ আগষ্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের কেনাকাটায় শহরের মার্কেট ও বিপণী বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। দর কাষাকষির পর্বে হাসি মুখে থাকছে ক্রেতা এবং বিক্রেতারাও। গরমে আরামের কথা মাথায় রেখে পোশাক কিনছেন ক্রেতারা। কেউ তার পছন্দের পণ্যটি দেখছেন। আবার কেউ কোনাকাটা সেরে বাসায় ফিরছেন।

এ সময় সময় কেনাকাটা করতে আসায় কথা হয় নাঈমের সাথে। তিনি বলেন, সপ্তাহের অন্যদিন অফিস থাকায় এখন পর্যন্ত কারো জন্যই কিছু কিনতে পারিনি। তাই ছেলে-মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে তাদের ঈদের কেনাকাটা করতে হাজির হয়েছি। মেয়ে ও ছেলের জন্য কেনাকাটা শেষ হলেও স্ত্রীর জন্য কিছু কিনতে পারিনি।

তার স্ত্রী হালিমা বলেন, স্বামী ও সন্তানদের জন্য কেনাকাটা করছেন। দু-জনই চাকরিজীবী হওয়ায় ছুটির দিন ছাড়া উপায় থাকে না। এ কারণে আজ আমরা ঈদের কেনাকাটার জন্য বেছে নিয়েছেন। মেয়ের জন্য থ্রি-পিছ, জিন্সের প্যান্ট, লং কামিজ এবং স্বামীর জন্য পাঞ্জাবী নিয়েছি।

নাঈম হাসানের ছেলে ৮ বছরের মুর্শেদ জানায়, বাবা আমায় পাঞ্জাবী, প্যান্ট, খেলনা কিনে দিয়েছে।

চাষাঢ়ার সমবায় মার্কেটের অপরুপা ফ্যাশন স্টোরের মালিক আমির হামজা বলনে, গত বছরের তুলনায় এ বছরে বিক্রির পরিমাণ কিছুটা ভালো। এই কোরবানির ঈদে বেশীরভাগ মানুষই সাধারণ কাজের মধ্যেই পোশাক পরিহিত করে থাকে। তেমন একটা ঝাকঝমক পোশাক ও ব্যয়বহুল পোশাকে গ্রাহকদের নজর কাড়ে না। তবে গত বারের তুলনায় আমাদের ব্যবসা শুরুর দিকে একেবারেই মন্দা হলেও এখন একটা আশা আছে। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় একটু বেচা-কেনা হলেও আজ সকালে তেমন হয় নাই। লোকেরা ঘুরে দেখে চলে যায়। কিন্তু সন্ধ্যা নামার পরই মোটামুটি কেনা-বেচা হচ্ছে।

হৃদিকা ফ্যাশনের মালিক খায়েরুল আলেম বলেন, আমরা ঈদের ২০ দিন আগে থেকে আমরা প্রস্তুতি নেই। এই ঈদের জন্য ৬ লাখ টাকার জামা-কাপড় এনেছি। আর ১ দিন পর ঈদ। এই একদিন আর চাঁদ রাতে টুকিটাকি হবে বলে ধারণা। দেশের জনপ্রিয় বাটিকের নানান রং ও নকশার সুতি পোশাক। ঈদের বাজারে অনেক বিদেশি পোশাক এসেছে। তবে দেশী পোশাকের কদর তাতে কমেনি। মোম বাটিক, এক রঙা, দু-রঙা অথবা তিন রঙের নকশার চাহিদাটা রয়ে গেছে।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ