সোমবার ১৪ জুন, ২০২১

র‌্যাবের অভিযানে প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

রবিবার, ৯ মে ২০২১, ২১:২৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লায় প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। শনিবার (৮ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লা থেকে প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, মো. এসহাক আলী (৭০), মো. মামুন (৪৯), খন্দকার মো. রাজু আহমেদ ওরফে মাসুদ (৫৬) ও মো. ফারুক কবির (৩৫)। র‌্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটি নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ী শ্রেণীর লোকজনদের টার্গেট করে কখনও ঠিকাদারী কাজ পাইয়ে দেওয়া, কখনো ডিলারশীপ পাইয়ে দেওয়া ইত্যাদি বলে প্রতারণামূলকভাবে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করে আসছিল।

রবিবার (৯ মে) র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়ণগঞ্জসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ী শ্রেণীর লোকজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন লাভজনক ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে কখনও ঠিকাদারী কাজ পাইয়ে দেওয়া, কখনো ডিলারশীপ পাইয়ে দেওয়া কখনোবা এজেন্ট নিয়োগের কথা বলে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তাদের ভাড়াকৃত অফিসে ডেকে নিয়ে আসে এবং জামানত ও বিনিয়োগ বাবদ প্রতারণামূলকভাবে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করে আসছে। প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন কৌশলে এই সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্রের সদস্যরা তাদের পাতানো প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সহজ সরল ব্যবসায়ীদের নিঃস্ব ও সর্বস্বান্ত করে আসছিলো।

তিনি আরো জানান, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের প্রতিটি অভিযোগের ভিত্তিতে অত্যধিক গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে র‌্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল দীর্ঘদিন অনুসন্ধান করে এই বহুরূপী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটিকে শনাক্ত করে ৮ মে দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন মাসদাইর এলাকা থেকে প্রতারক চক্রের সদস্য খন্দকার মো. রাজু আহমেদ ওরফে মাসুদ (৫৬) কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যে চক্রটির মূলহোতা মো.এসহাক আলী (৭০) ও তার সহযোগী মো. ফারুক কবির (৩৫) কে দেওভোগ লিচুবাগ এলাকায় আসামী মো. এসহাক আলীর বাসা থেকে গ্রেফতার করি। পরে তাদের দেয়া তথ্যে গলাচিপা এলাকা থেকে মো. মামুন (৪৯) কে গ্রেফতার করা হয়।

জসিম উদ্দিন জানান, মাত্র ৩ জন ভুক্তভোগীর অভিযোগ র‌্যাবের কাছে আসলেও প্রকৃতপক্ষে এই প্রতারক চক্রের প্রতারণায় প্রায় শত শত জন ব্যবসায়ী নিঃস্ব ও সর্বস্বান্ত হয়েছে বলে গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পারি। গত ১৫ বছর যাবত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দেয়ার জন্য এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি এতটাই সুক্ষ্ম কৌশলে তাদের প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা কখনও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়নি। প্রতারক চক্রের সদস্যরা প্রত্যেকেই প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছে।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ