শুক্রবার ২৩ আগস্ট, ২০১৯

রূপগঞ্জে নৌপথে চাঁদাবাজিকালে গ্রেফতার ৮

সোমবার, ৫ আগস্ট ২০১৯, ২০:১৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: রূপগঞ্জে নৌপথে চাঁদাবাজিকালে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি অভিযানিক দল।

রোববার (৪ আগস্ট) বিকেলে রূপগঞ্জের তারাবো এলাকায় সুলতানা ব্রিজের নীচে শীতলক্ষ্যা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির নগদ ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও চাঁদাবাজিতে ব্যবহৃত ২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, মেহেদী হাসান (২৫), আলমগীর হোসেন (৩১), আনোয়ার হোসেন (২৪), মোমিন (৪০), আকতার হোসেন (২০), কাওসার হোসেন (২৯), রানা মিয়া (২৩) ও জহিরুল ইসলাম (১৯)।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে উক্ত চাঁদাবাজ চক্র শীতলক্ষ্যা নদীতে চলাচলরত প্রত্যেক নৌযান হতে শুল্ক আদায়ের নামে জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০০-৩৫০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে আসছে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ডেমরা এলাকার কাউন্সিলর মাহমুদুল হাসান পলিন বিআইডব্লিউটিএ থেকে তারাবো ব্রিজ হতে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত শীতলক্ষ্যা নদীর উভয় তীরে মালামাল লোড-আনলোডের শুল্ক আদায়ের ইজারা নিয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক নির্মিত ঘাট বা প্লাটুন ব্যবহার করে কোন মালামাল লোড-আনলোডের জন্য ইজারাদার নির্ধারিত হারে শুল্ক আদায় করার কথা এবং নদীতে চলাচলরত নৌযান থেকে শুল্ক বা চাঁদা আদায় সম্পূর্ন বেআইনি। কিন্তু একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র ইজারার নামে নদীতে চলাচলরত প্রত্যেক নৌযান থেকে দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে।

র‌্যাব আরো জানায়, শীতলক্ষ্যা নদীতে চলাচলরত অধিকাংশ নৌযানের গন্তব্য থাকে নরসিংদী, গাজীপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলায়। ঐ নৌযানগুলো ইজাদারের আওতাধীন এলাকা অর্থাৎ তারাবো ব্রিজ থেকে কাঞ্চন ব্রিজ এলাকার মাঝামাঝি কোথাও থামে না। তারপরও উক্ত চাঁদাবাজ চক্র তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে নদীতে চলাচলরত অবস্থায় চাঁদা আদায় করে। এমনকি চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে নৌযান শ্রমিকদের মারধর করে থাকে উক্ত চাঁদাবাজ চক্র। নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানায় র‌্যাব।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ