সোমবার ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

রাসেল পার্কে উপকৃত জেএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা

বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৩০

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: সকাল সাড়ে ৯টা বাজতেই নগরীর মর্গান স্কুলের সামনে গিয়েই দেখা যায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ভিড়। ৮ম শ্রেণির জেএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখেই এই ভিড়। সকাল পৌনে ১০টায় পরীক্ষার ওয়ার্নিং ঘন্টা বাজতেই ভিড় অনেকটাই কমে গেল। পরীক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করিয়ে দিয়ে বাইরে উদ্বিগ্ন চোখেমুখে দাড়িয়ে অভিভাবকরা। স্কুলের সামনের সড়কে রোদে দাড়িয়েই অধিকাংশ অভিভাবক। তিন ঘন্টার এই পরীক্ষায় অধিকাংশ অভিভাবকই তাদের সন্তানদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন সন্তানের জন্য। কিন্তু স্কুলের সামনে বসার কোন স্থান নেই। পুরুষ অভিভাবকরা কেউবা দাড়িয়ে আছেন, কেউবা চায়ের দোকানে এক কাপ চা নিয়ে চায়ের দোকানে ঢুকে পড়েছেন। কিন্তু মহিলা অভিভাবকদের ৩ ঘন্টা দাড়িয়ে থাকা সম্ভব নয়। তাই অনেকেই স্কুলের সামনে থাকা বইয়ের দোকানের নিচের সিড়িতে বসে পড়েছেন। বাকিরা এদিক ওদিক তাকিয়ে খুঁজছেন কোথায় একটু বসা যায়।

এদের মধ্যেই একজন জাহানারা বেগম। স্কুল থেকে একটু সামনে এগিয়েই তিনি দেখলেন রাস্তার একপাশে লেখা শেখ রাসেল নগর পার্ক। পার্কটির ভেতরে বসার জায়গা আছে। আছে অনেক ফুলের গাছ। যার জন্য পার্কটির ভেতরে ছায়াও আছে। তিনি সেখানে যাওয়ার পর তার দেখাদেখি বেশ কয়েকজন অভিভাবকও সেখানে গিয়ে বসলেন। কথা হলো জাহানারা বেগমের সাথে। কথা বলে জানা গেল তিনি থাকেন শিবু মার্কেট। ছেলেকে সাথে করে নিয়ে এসেছেন পরীক্ষা কেন্দ্রে। কিন্তু বাসা দূরে হয়ে যাওয়ায় বার বার যাওয়া আসায় তার সমস্যা হয়। তাই পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ৩ ঘন্টা অপেক্ষা করেন।

আরেক অভিভাবক রানু দাস বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুুল’ এর কারণে পরীক্ষার রুটিন টানা তিন দফা বদলের কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরই প্রস্তুতি ঠিকমত হয়নি। এর মধ্যে আজ বিজ্ঞান পরীক্ষা। তাই টেনশনটা একটু বেশি। পাশাপাশি তিন ঘন্টার এই পরীক্ষায় স্কুলের সামনে বসার কোন জায়গা নেই। এই বয়সে তো আর ৩ ঘন্টা দাড়িয়ে থাকা যায় না। পার্কটি নজরে এলো বলে ভিতরে এসে বসে পা দুটো মনে হলো স্বস্তি পেলো।

অভিভাবক হাসিনা খাতুন বলেন, পার্কটিতে যথেষ্ট ছায়া আছে। বসার জায়গায় ও যথেষ্ট। নিরিবিলি পরিবেশে বসে থাকলে মনটাও ভাল থাকে। আমার বাসা চৌধুরী বাড়ি হওয়ায় আমি জানতামই না যেখানে পার্কটির পরিবেশ এমন। শুধু জানতাম এখানে একটি পার্ক আছে। পার্কটি আরেকটু বড় জায়গা নিয়ে করলে ভালো হত।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ