মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮

ম্যাসেজের উত্তর কি দিবো জানি না: শামীম ওসমান

বুধবার, ১০ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৩৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগস্ট চালানো গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমান বলেন, ‘২১ শে আগস্টের রায়ের বিষয়ে বিদেশী সাংবাদিকসহ অনেকেই আমাকে ম্যাসেজ দিয়েছেন। এই ম্যাসেজের উত্তর আমি কি দেবো জানি না। বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামাতকে নিয়ে রাজনীতি করছে। জাতির জনককে হত্যা করার পর জাতি যার দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল সেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে বিএনপি। ২০ বার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তারপর ২১শে আগস্টে গ্রেনেড হামলা করেছিল। নেত্রী সেদিন যেই ট্রাকের উপর দাড়িয়ে জনসভা করছিলেন সেই ট্রাকে তিনটা গ্রেনেড বাড়ি খেয়ে বিস্ফোরিত হয়। সেই সময় আইভি রহমানসহ ২২জন স্পটেই নিহত হয়। আমরা বলেছিলাম, এই ঘটনার নায়ক তৎকালীন সরকার। তখন জজ মিয়া নাটক সাজালো তৎকালীন সরকার। যেই দল জাতির পিতার কন্যা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করার জন্য একের পর এক গ্রেনেড হামলা করে, সেই দলকে সন্ত্রাসী দল বলা হয়। তাই বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে নিষিদ্ধ করা হোক।’

বুধবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলের উত্তরপাড়ায় আয়োজিত এক কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শামীম ওসমান আরো বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় থেকে মানুষ হত্যার নেশায় মেতে উঠেছিল তাদের বিচার করা হয়েছে। এরাই জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যা করার মাধ্যমে জাতিকে চুপ করিয়ে দিতে চেয়েছিল। ২১শে আগস্ট যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেছিল সেই ঘটনার রায় দিয়েছে আদালত। আমাদের মধ্যে কেউ রায়ে খুশি হয়েছেন কেউ আবার সন্তুষ্ট হতে পারে নাই।’

তিনি বলেণ, এই রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেছেন, সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আজকে রায় তো আওয়ামীলীগ দেয় নাই। রায় তো আমি শামীম ওসমান দেয় নাই। রায় যদি সরকারের নির্দেশে হতো তাহলে সর্বপ্রথম তারেক রহমানকে ফাঁসি দেয়া হতো। রায় সরকারের নির্দেশে হয় নাই, সাক্ষ্যপ্রমাণের উপর ভিত্তি করে হয়েছে।’

নাসিক ৪নং নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরিফুল হক হাসানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাষ্টার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মো. তাজিম বাবু, নাসিক প্যানেল মেয়র-২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন, শ্রমিকলীগ নেতা মিজানুর রহমান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগ নেতা মো. জনি, সুলতান আহমেদ, ছাত্রলীগ নেতা তামিম প্রমুখ।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ