শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মেয়ের জামাই’র সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় ছেলেকে হত্যা চেষ্টা

বুধবার, ২৮ আগস্ট ২০১৯, ২০:০৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: রূপগঞ্জে মেয়ের জামাইয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ছেলেকে বিষ মিশ্রিত আপেল খাইয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার রাণীপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মা নূর জাহান ও মেয়ের জামাই আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত নূরজাহান উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার রাণীপুরা এলাকার আতিকুর রহমানের স্ত্রী ও আব্দুল্লাহ গাইবান্ধা জেলার সদর থানার ভেরাডাঙ্গা এলাকার ভবেশ বর্মনের ছেলে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাদিকুল ইসলামের পিতা ও গ্রেফতার হওয়া নারীর স্বামী আতিকুর রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

ভোলাবো ফাড়ির ইনচার্জ (এসআই) শফিক আহম্মেদ জানান, আব্দুল্লাহ আগে হিন্দু ধর্মালম্বী ছিল। তার নাম ছিল সঞ্জয় বর্মণ। সে রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপ-শহরের বানিজ্য মেলার নির্মাণ কাজের শ্রমিক হিসেবে কাজ করে আসছে। পরে নূরজাহান বেগমের সঙ্গে সঞ্জয় বর্মণের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে নূরজাহান বেগম তাকে হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করায়। তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আব্দুল্লাহ। পরে নূরজাহান বেগম তার মেয়ে খাদিজা আক্তারকে আব্দুল্লাহর সঙ্গে বিয়ে দেন। নূরজাহান বেগমের স্বামী আতিকুর রহমান একজন চা দোকানি। আতিকুর রহমানের অনুপস্থিতিতে নূরজাহান বেগম ও আব্দুল্লাহ বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতো। গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে ছেলে সাদিকুল ইসলাম তার মা নূরজাহান বেগম ও তার বোন জামাই আব্দুল্লাহর দৈহিক মেলামেশা সম্পর্ক দেখে ফেলে। এর জেরে মা নূরজাহান বেগম ও আব্দুল্লাহ সাদিকুল ইসলামকে আপেলের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে হত্যার চেষ্টা করে। বিষ মিশ্রিত আপেল খেয়ে সাদিকুল ইসলাম অসুস্থ্য হয়ে মাটিতে লুটে পড়লে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে কাঞ্চন সূফী দায়েমউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করান। সাদিকুল ইসলাম কিছুটা সুস্থ্য হলে তার জবানবন্দিতে মা নূরজাহান বেগম ও জামাই আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নূরজাহান বেগম ও আব্দুল্লাহ তাদের দৈহিক সম্পর্ক ও সাদিকুল ইসলামকে হত্যার চেষ্টার কথা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় নূরজাহান বেগমের স্বামী আতিকুর রহমান বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ