শনিবার ২৫ মে, ২০১৯

মেট্রোতে ‘ককপিট’ হাউজফুল

শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৮:০৩

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

৮ ডিসেম্বর শুক্রবার নারায়নগঞ্জের নিউ মেট্রোসহ দেশের ৮১টি পেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে দেব-রোশান অভিনীত ‘ককপিট’৷ নারায়নগঞ্জের নিউ মেট্রো সিনেমা হলে গতকাল পরিচালিত হয়েছে চারটি শো৷ প্রথম দিনেই নিউ মেট্রোতে ছিলো দর্শকদের উপচে পড়া ভীর৷ শুক্রবার মেট্রো হল ছিলো এক কথায় হাউজফুল৷ স্বয়ং অভিনেতা দেব প্রযোজনা করেছেন ‘ককপিট’ চলচিত্রটি৷ তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন কোয়েল মল্লিক ও রুক্মিনি মৈত্র৷ দেবের বাবা রুপে বিশেষ চরিত্রে ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়৷ চলচিত্রটি বাংলাদেশে পরিবেশনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া৷ চলচিত্রটি ২২শে সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছিলো কলকাতায়৷

পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় জানতেন, দর্শক কি দেখতে চায়৷ আর তিনি ছবিতে ঠিক তাই দেখিয়েছেন৷ ছবির মূল চরিত্র দিব্যেন্দু রক্ষিত (দেব) পেশায় একজন পাইলট যার বাবার (প্রসেনজিৎ) মৃত্যু হয়েছিল বিমান দূর্ঘটনায়৷ তেমনি এক শ্বাসরুদ্ধকর দিন আসে দিব্যেন্দুর জীবনেও৷ বিমানে মুম্বাই থেকে কলকাতা ফিরছে ১৪৬ জন যাত্রী৷ চালকের আসনে দিব্যেন্দু৷ সে কি পারবে বিমানটিকে নিরাপদে রানওয়েতে নামাতে? চলচিত্রের মূল গল্পো এটাই৷

এই গল্পের মধ্যে আছে কীর্তি সচদেব (রুক্মিনি মৈত্র) যিনি একজন বিমানবালা৷ একা, মদ্যপ কীর্তিকে সঙ্গ দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে দিব্যেন্দু৷ যখন কীর্তি দিব্যেন্দুর প্রতি দূর্বল হতে শুরু করে তখনই দিব্যেন্দু গাঁটছড়া বাধে ইতিহাসের শিক্ষিকা রিয়ার (কোয়েল মল্লিক) সাথে৷ ককপিটের অভিনয়তে কোয়েল মল্লিকের বয়সের অনেকটা ছাপ পড়েছে৷ চলচিত্রে আলাদা করে উঠে আসে কো-পাইলট জিয়াউল হোসেনের (রোশান) অভিনয়৷ তাছাড়া অনবদ্য অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আফরিন হামিদীর ভূমিকায় পিয়ঙ্কা সরকারের নাম৷ চলচিত্রে সুন্দর ও মিষ্টি অভিনয় ছিলো আরশিয়ার৷ কি চিনলেন না তো? আরশিয়া হচ্ছে আপনাদের পরিচিত জি বাংলায় প্রচারিত ভূতু সিরিয়ালের ‘ভূতু’৷

পুরো চলচিত্রে ছিলো বিমানের যাত্রীদের খন্ড খন্ড কিছু গল্পো৷ সেই খন্ড খন্ড গল্পো গুলোকে যথাযথ করে সাজিয়েছেন সম্পাদক রবিরঞ্জন মৈত্র৷ আর শুভঙ্কর ভড়ের ক্যামেরা বেঁধে রেখেছিলো ‘ককপিট’এর সিট বেল্টের সাথে৷ ককপিটের গানগুলোও ভালো ছিলো৷ প্রথমবারের মতো বাংলা সিনেমায় কন্ঠ দিয়েছিলেন পাকিস্তানি কন্ঠশিল্পী আতিফ আসলাম৷ তবে একটু কিন্তু থেকেই যায় তা হচ্ছে— প্লেন ওড়ার দৃশ্যগুলো আরও বাস্তবিক ও বিশ্বাসযোগ্য হতে পারতো৷ আর মাঝে মাঝে সংলাপের মধ্যে হিন্দি আর ইংরেজিটা কেমন যেন কানে লেগেছে৷

এগুলো সব বাদ দিলে ভালো একটা চলচিত্র ‘ককপিট’৷  ২ ঘন্টা ২১ মিনিটের চলচিত্রটি ভালোই উড়িয়ে নিয়ে যাবে দর্শকদের৷ আশা করি হতাশ হবেন না দর্শকরা, চলচিত্রটি হলে গিয়ে দেখে আসতে পারেন৷

সব খবর
বিনোদন বিভাগের সর্বশেষ