মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মুন্নার নামে না'গঞ্জ স্টেডিয়ামের একটা অংশের নামকরণের দাবি

সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৪৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: মুন্নার নামে নারায়ণগঞ্জ স্টেডিয়ামের একটা অংশের নামকরণের দাবি জানিয়েছেন মোনেম মুন্নার স্ত্রী ইয়াসমিন মোনেম সুরভি।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মুন্নার ১৪তম মৃত্যু দিবস। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মারা যান নারায়ণগঞ্জে জন্ম নেয়া বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার।

মৃত্যু দিবসকে সামনে রেখে মুন্নার স্ত্রীবলেছেন, ‘আমি চাই মোনেম মুন্নার অবদানের কথা সবাই জানুক, মনে রাখুক। বর্তমান প্রজন্ম তো তার কথা সেভাবে জানেই না। মুন্নাকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রত্যেককে অনুরোধ জানাচ্ছি আমি।

মুন্নার স্ত্রীর আক্ষেপ, ‘মুন্নার স্মরণে ধানমন্ডির আট নম্বর সড়কের নামকরণ হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনও নামফলক নেই। ধানমন্ডির সেই সড়কে গেলে মুন্নার কোনও স্মৃতি দেখতে পাবেন না। সড়কটা যে ওর নামে হয়েছে তা বোঝা যাবে না। আমি চাই সেখানে একটা মনুমেন্ট হোক। সবাই জানুক মুন্না কে ছিলেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ স্টেডিয়ামের একটা অংশ তার নামে হলে ভালো হতো। তাহলে নতুন প্রজন্ম তাকে জানতে পারতো।

মোনেম মুন্নার জন্ম ১৯৬৮ সালের ৯ জুন নারায়ণগঞ্জের বন্দরে। ১৯৮০-৮১ মৌসুমে পাইওনিয়ার ফুটবল লিগ দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু। ১৯৮৭ সালে আবাহনীতে যোগ দেওয়ার পর দলবদল করেননি, ক্যারিয়ার শেষ করেছেন আকাশি-হলুদ জার্সি পরে। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত আবাহনীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থেকে দলকে এনে দিয়েছেন পাঁচটি লিগ এবং তিনটি ফেডারেশন কাপের শিরোপা।

দীর্ঘ ১১ বছর জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন মুন্না। তার অধিনায়কত্বে ১৯৯৫ সালে মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সেটাই লাল-সবুজ পতাকার প্রথম সাফল্য। কলকাতার বিখ্যাত ক্লাব ইস্টবেঙ্গলেও দুই মৌসুম সুনামের সঙ্গে খেলে ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি।

১৯৯৮ সালে অবসরের পর আবাহনীর ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করার সময় কিডনিজনিত রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েন মুন্না। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর কিছু দিন ভালো থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি, ২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ফুটবলকে কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে।

 

সব খবর
খেলাধুলা বিভাগের সর্বশেষ