শুক্রবার ২৩ আগস্ট, ২০১৯

মায়েদের মাতৃভাতার টাকা নিয়ে দুর্নীতি

মঙ্গলবার, ১২ জুন ২০১৮, ২০:১০

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মায়েদের মাতৃভাতার টাকার একটি অংশ লুটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, দুই বছর মেয়াদী চার কিস্তিতে টাকা দেওয়ার সময়ও চলছে দুর্নীতি। মঙ্গলবার (১২ জুন) সোনালী ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ কর্পোরেট শাখায় মাতৃভাতার টাকা নেয়ার সময় কয়েকজন মায়ের সঙ্গে প্রেস নারায়ণগঞ্জের কথা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মা জানান, তাদের ভাতা সংক্রান্ত কিছু ভোগান্তির কথা। তারা বলেন, বছরে আমাদের মোট ১২ হাজার টাকা দেওয়ার কথা। কার্ড বানানোর সময় আমাগো সবার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছে। আবার যতবার টাকা দেয় প্রত্যেকবার মহিলা কর্মকর্তা শেফালী চেক সাইন করার সময় ২০০ টাকা করে নেয়। ছয় মাস পর পর টাকা দেয়। প্রথমবার ৩ হাজার টাকা দিয়েছে। তারা বললো ৩ হাজার টাকা করে ৪ কিস্তিতে ১২ হাজার টাকা পাইবা। দুইবার ৬ মাস পর পর টাকা দিসে । আর এই বার ১ বছর পরে ৪ হাজার ৫০০ টাকার চেক দিসে। পরে জিগাইলাম কম কেন। কিছু আর কয় নাই। যা দেয় তা তো নিমু। বাকি ১ হাজার ৫০০ টাকা দিবো কিনা জানি না।

সূত্র মতে জানা যায়, গরিব দুস্থ মায়েদের এই সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও অনেক গরিব মায়েরাই এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আবার এমন মায়েরাও টাকা পাচ্ছেন যাদের পরিবার যথেষ্ট সচ্ছল। সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গাফলতির কারণে এই নীতি বর্হিভূতৃ কাজ চলছে।

আলীরটেক ইউনিয়নের সচিব আব্দুর রব বলেন, মাতৃভাতা ছয় মাস পরপর দেওয়া হয়। কিন্তু মাতৃভাতা কার্ড করার সময় বা অন্য ক্ষেত্রে কোন ধরনের টাকা নেওয়া হয় না। কিন্তু পরবর্তী সময় তাকে উপজেলার মহিলা কর্মকর্তা শেফালীর কার্ড ও চেক দেওয়ার সময় টাকা নেওয়ার কথা বললে তিনি বলেন, এই গুলা কোন নিয়মের মধ্যে পড়ে না। এইভাবে গরিবের টাকা কেন খাবে। এর বিরুদ্ধে কড়া আ্যকশন ( ব্যবস্থা) গ্রহন করা হবে।

আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান সাথে এই বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, আমার এলাকায় এই সব কিছু হয় বলে আমার জানা নাই। এমন কিছু হওয়ার কথা না।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ