সোমবার ১৭ জুন, ২০১৯

মাকে দেখতে এসে বাবার লালসার শিকার কিশোরী

সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ১৯:৫৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বাবার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর মা যখন দ্বিতীয় বিয়ে করেন তখন নানা বাড়িতে চলে যায় ১২ বছর বয়সী কিশোরী। সেখানে থেকেই পড়াশোনা করতো সে। তবে ছুটি পেলে মাঝে মাঝে মায়ের সাথে সময় কাটাতে রূপগঞ্জের পার্শ্ববর্তী ভাটারার জগন্নাথপুর এলাকায় আসতো সে। মায়ের সাথে দেখা করতে এসে একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। আর কেউ নন এই ঘটনা ঘটান তারই সৎ বাবা।

বাবার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর ২০০৯ সালে বরিশালের ২৮ বছর বয়সী যুবক রুবেল উকিলকে বিয়ে করেছিলেন মা। বিয়ের পর তারা রূপগঞ্জের পার্শ্ববর্তী ভাটারার জগন্নাথপুর এলাকার জনৈক বিল্লাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। রুবেল ভাড়ায় মোটর সাইকেল চালাতো এবং তার মা বাসা বাড়িতে কাজ করতো।

চলতি বছর ছুটিতে মাকে দেখতে এসে একাধিবার ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। দিনের বেলা মা কাজে গেলেই কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করতো সৎ পিতা। মায়ের সংসার ও মান সম্মানের ভয়ে ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ না করেই সে বার নানা বাড়ি ফিরে যায় সে। এ ঘটনার পর দীর্ঘদিন সে আর তার মাকে দেখতে আসছিলো না। পরবর্তীতে মায়ের অনুরোধে গত মাসে বেড়াতে এসে ওই কিশোরী। মাকে দেখতে এসে গত ২৪ এপ্রিল পুনরায় সৎ বাবার লালসার শিকার হয় সে।

এবার আর চুপ থাকেনি নির্যাতিত কিশোরী। গত ২৬ এপ্রিল মা কাজে চলে গেলে আবারো যখন লম্পট পিতা তাকে ধর্ষণের জন্য জোড়াজুড়ি শুরু করে তখন সে কৌশলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে মায়ের কাছে সব খুলে বলে। ওই দিনই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় সৎ পিতা রুবেল উকিলের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘটনা জানাজানির পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত সৎ পিতা। রোববার (১৯ মে) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জের পার্শ্ববর্তী ভাটারা এলাকা থেকে অভিযুক্ত রুবেল উকিলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিকবার কন্যাকে ধর্ষনের কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১ সিপিসি-৩ এর পূর্বাচল ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর আব্দুল্লাহ-আল মেহেদী।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ