মঙ্গলবার ১৮ জুন, ২০১৯

মধুমাসে না.গঞ্জের বাজারে মিলছে সাত রকমের আম

সোমবার, ১০ জুন ২০১৯, ২০:৩২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: গ্রীষ্মের এই প্রখর রোদে রসাল মৌসুমী ফল মন জুড়ায় সবার। সুস্বাদু পাকা ফলের ঘ্রাণ কার না ভালো লাগে। তাই সবার কাছেই এখন মৌসুমী ফলের চাহিদা বেশ। নগরীর অলিগলি ছেয়ে গেছে মৌসুমী ফলে। আম, কাঠাল, লিচুর মতো মৌসুমী ফলের দাপট সারা নগরীময়। সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে সুস্বাদু, রসাল এই ফল। ফলন ভালো হওয়ায় ও আমদানি বেশি থাকায় দামটাও ক্রেতার হাতের নাগালে।

সোমবার (১০ জুন) নগরীর কালিরবাজার চারারগোপের ফলের আড়তগুলো ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমী ফলে ছেয়ে আছে পুরো আড়ত। আম আর লিচু সবচেয়ে বেশি। আমের ঘ্রাণে মউ-মউ করছে পুরো এলাকা। আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোট ৭ রকমের আমের মজুদ রয়েছে এখানে। রূপালি, হিমসাগর, লকনা, লেংরা, গোপালভোগ, গুটি ও ফজলি। এ আমগুলোর সিংহ ভাগই রাজশাহীর। ফলন ভালো হওয়ায় দামও কম আর আমদানিও বেশি। ধরণ অনুযায়ী ৩০ থেকে ৬০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে এই আম।

আড়তদার ফকির চাঁন বলেন, ‘মোট ৭ পদের আম আছে আমাদের কাছে। যার অধিকাংশ রাজশাহীর। সকাল থেকে বিক্রি করছি। আমের জাত অনুযায়ী পাইকারি দামে ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকায় আম বিক্রি হচ্ছে।’

এদিকে ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের ফলন ভালো হলেও দাম বেশি। ক্রেতাদের এই অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায় খুচরা বাজারে। নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আড়ত থেকে কেনা পাইকারি দামের দ্বিগুণ দামে আম বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। হিমসাগর আম পাইকারি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। রূপালি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গোপালভোগ ৭০ থেকে ৮০ টাকা ও বাকিগুলো ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

ক্রেতাদের অভিযোগের বিপরীতে খুচরা ফল বিক্রেতা মো. হাবিব বলেন, ‘পাইকারি দাম আর খুচরা দাম হিসেব করলে হয় না। আড়ত থেকে ফল নামাতে লোক লাগে, সেগুলো আবার দোকানে দোকানে আসে, ভ্যানে করে রোদে পুড়ে বিক্রেতারা সেই ফল বিক্রি করে। ফল বিক্রিতে খরচ আর বিক্রেতার পরিশ্রম সব মিলিয়েই দাম বাড়ে।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ