মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের গণশুনানি

মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭, ১৫:৫৮

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলার পক্ষ থেকে এক গণশুনানির আয়োজন করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ প্রচারের লক্ষ্যে এ গণশুনানির আয়োজন করে। বেলা সাড়ে ১১ টায় কনজ্যুমার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর জেলা কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।


জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক তাহমিনা বেগম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উপসচিব মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। উপস্থিত ছিলেন কনজ্যুমার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এওয়াইএম হাশমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শাহনেওয়াজ চৌধুরী, ১৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান সহ নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।


সভায় উপসচিব মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন ,আমরা প্রধানত তিন প্রক্রিয়ায় কাজ করে থাকি। প্রতিকার , প্রতিরোধ এবং উন্নয়ণ। প্রথমে আমরা জনসাধারণকে ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন করতে চাই। কেননা আইন না জানার ফলে মানুষের ভোগান্তি বেশি হয়। আমরা নারায়ণগঞ্জের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ সম্পর্কে অবগত করতে চাই। সেই লক্ষে আজ ছোট পরিসরে ব্যবসায়ী এবং প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে মতবিনিময়ে বসেছি। ভবিষ্যৎ এ আরো বড় পরিসরে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সাথে পৃথক মতবিনিময়ের আয়োজন করবো।
তিনি আরো বলেন, অনেক ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি আমাদের অধিদপ্তরের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিষ্ঠান মালিকদের হয়রানির শিকার হতে হয়। এ সকল ভোগান্তি কমাতে আমরা সকলে সমন্বয় করে কাজ করলে সমাজে পরিবর্তন আনতে পারবো। এক্ষেত্রে সাধারণ ভোক্তা যারা বিভিন্ন সেবা ভোগ করেন তাদের কাছে অবেদন যে কোন অনিয়ম দেখলে আপনারা আমাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করবেন। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান থেকে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ অভিযোগকারী পাবেন।


সহকারী পরিচালক তাহমিনা বেগম সকল ব্যবসায়ী এবং মালিকদের জ্ঞাতার্থে নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, নারায়ণগঞ্জে যে সকল অভিযোগ আমরা বেশি পাই তার ভিত্তিতে আমরা কিছু নির্দেশনা দিচ্ছি।
এগুলো হলো, বিভিন্ন খাবারের প্রতিষ্ঠানে খুচরা মূল্য অর্থ্যাৎ পন্যের গায়ে যে এমআরপি মূল্য দেয়া থাকে তার থেকে অধিক মূল্য নিলে ধারা ৪০ অনুযায়ি ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড অথবা এক বছরের কারাদন্ড। খাবারে ক্ষতিকর রং ব্যবহার পরিহার করতে হবে । অন্যথায় ধারা ৪২ অনুসারে ২ লাখ টাকা অর্থদন্ড অথবা তিন বছরের কারাদন্ডের বিধান রয়েছে। ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী পরিমাপে বা ওজনে কারচুপি যেমন পন্যের মোড়কের অস্বাভাবিক ওজন হলে সেক্ষেত্রে তা দন্ডনীয় অপরাধ। এতে ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডের অথবা এক বছরের কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।

 

 

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ