বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

ভুটান থেকে ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ নারায়ণগঞ্জে

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২১:১২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ভুটান থেকে প্রথমবারের মতো নদীপথে নারায়ণগঞ্জে এসেছে পাথর বাহী জাহাজ। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এর আগে গত সোমবার (১৬ জুলাই) ভুটান থেকে ভারত হয়ে নারায়ণগঞ্জ পৌছায় জাহাজটি। ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম চালানটি গ্রহণ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম চালানটি গ্রহণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলি দাশ, ভুটানের রাষ্ট্রদূত সোনম টি. রাবগি এবং বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।

অনুষ্ঠানে ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী শ্রী মা-ব্য বলেন, ‘এই উন্নয়ন ঐতিহাসিক যার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধির প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর লক্ষ্য পূরণে হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত, ভুটান এবং বাংলাদেশ উপকৃত হবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। এই রুটের মধ্য দিয়ে পণ্য পরিবহনের ফলে ৮ থেকে ১০ দিন সময় সাশ্রয় হবে, পরিবহণ খরচ কমবে ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্য খরচও কমবে। এছাড়াও এটি পরিবহনের জন্য একটি পরিবেশ-বান্ধব উপায়।

ভারতের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মা-ব্য ১২ জুলাই ডিজিটালভাবে এমভি এএআই নামের ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের এই জাহাজটির যাত্রা সূচনা করেন। এরপর জাহাজটি আসামের ধুবরি থেকে যাত্রা করে এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর দিয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছায়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে ধুবরিকে নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়। এই প্রথমবারের মতো ভারতীয় নৌপথ ও ভারতকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহণ করা হচ্ছে।

আসামের ধুবরি বন্দর থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ভুটানের ফুয়েন্টশোলিং থেকে ট্রাকে করে পাথর আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভুটান স্থলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পাথর রপ্তানি করে আসছে। জাহাজটি ১০০০ মেট্রিক টন পাথর পরিবহন করছে, যা স্থলপথে পরিবহন করতে ৫০টিরও বেশি ট্রাক প্রয়োজন হতো।

ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, ন্যাভিগেশন চ্যানেলে নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ড্রেজিং করা হয়েছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রেজিং করা হবে।

এছাড়াও ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথ ব্যবহার বৃদ্ধি করে পণ্য পরিবহনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ভারত-বাংলাদেশে ফেয়ারওয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে আশুগঞ্জ-জকিগঞ্জ রুটের ড্রেজিং কাজও চলমান রয়েছে।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ