বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি, ২০২০

ভাইকে আটকে রেখে বোনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ছয়জন

মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:০০

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লায় কয়েল কারখানার নারী শ্রমিক গণধর্ষণের ঘটনায় সংবাদ ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গণধর্ষণের শিকার ওই তরুণী সদর উপজেলার গোগনগর ফকির বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। সে কেএম ইন্টারন্যাশনালের অ্যাডভান্স মশার কয়েল কারখানায় তার চাচাতো ভাইয়ের সাথে কাজ করতো।

সোমবার সন্ধ্যায় চাচাতো ভাইয়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুরের বটতলা এলাকায় তাদের গতিরোধ করে আসামিরা। পরে চাচাতো ভাইকে মারধর করে আটক রেখে পাশ্ববর্তী একটি টংয়ের দোকানে কিশোরী বোনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। এ সময় কিশোরী বাধা দিলে তাকেও মারধর করে আসামিরা। পরে তারা ভুক্তভোগী ও তার চাচাতো ভাইকে একটি অটোরিকশায় তুলে দিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় এসপি মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনা ভুক্তভোগী কিশোরী থানায় এসে জানালো ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ভুক্তভোগীর মেডিকেল টেস্টের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলো- চাঁদপুর জেলার মতলবের মুক্তিরকান্দি এলাকার মো. সিরাজের ছেলে রাসেল (৩৮), নেত্রকোনা জেলার কালিয়াজুড়ির মৃত রুকু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (২৩), মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন (২২), ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের বিরামপুরের মো. ফরিদের ছেলে সুমন (২২), একই জেলার কেন্দুয়ার হাদিছুর রহমানের ছেলে মো. রবিন (২৩), শরিয়তপুর জেলার জাজিরার আব্দুল লতিফের ছেলে মো. আল আমিন (২১)। তারা প্রত্যেকেই ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, মঙ্গলবার আসামিদের দুপুরে বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ