বুধবার ১৭ অক্টোবর, ২০১৮

বিএনপির সভাপতি, সম্পাদকসহ ২ শ’ নেতাকর্মীর আগাম জামিন

বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮, ২০:১১

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেসনারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় পুলিশের দায়েরকৃত নাশকতার ৪ মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাইকোর্টের ১৬নং বেঞ্চের বিচারপতি রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহাম্মেদ শুনানী শেষে ৮ সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন।

বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষে আবেদনের শুনানি করেন, ব্যারিষ্টার মওদুদ আহম্মেদ ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন।

আগাম জামিনপ্রাপ্তরা হলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম রবি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, বিএনপি নেতা আমিরুল ইসলাম ঈমন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. মাহফুজুর রহমান হুমায়ূনসহ বিএনপির দুই শতাধিক নেতাকর্মী।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে যেভাবে পুলিশ গায়েবী মামলা দিয়ে আমাদেরকে নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে রাখলো তা এ দেশেতো বটেই পৃথীবির ইতিহাসে নজিরবিহীন। পৃথিবীর অন্য কোন স্বৈরশাসক এভাবে নির্বাচনের আগ মুহুর্তে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা দেয়নি। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। খোদ মহামান্য হাইকোর্ট বলেছে এতে পুলিশের ভাবমূর্তি মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক দিকে সরকার আমাদেরকে নির্বাচনে আসার জন্য আহবান জানাচ্ছে আবার অপরদিকে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে মাঠেই নামতে দিচ্ছে না। এভাবে এ দেশের গনতান্ত্রিক পরিবেশকে চূড়ান্তভাবে ধ্বংশ করা হয়েছে। তাই আমরা মনে করি এখনই যদি দেশে গনতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা না যায় তাহলে এক সময় গোটা জাতিকে চরম মূল্য দিতে হবে। তিনি আরো বলেন সরকারের এই সীমাহীন নির্যাতন সত্যেও আমরা নির্বাচনের সর্বাত্বক প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি সরকারের এই গায়েবী মামলা দিয়ে হয়রানী নির্যাতন সত্বেও এবারের নির্বাচনে গনমানুষের বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।

জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, এসব মামলা, গায়েবী মামলা হিসেবে ইতোমধ্যেই খ্যাতি লাভ করেছে। মনগড়া গল্পের সাজানো এসব মামলা পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, তাদের উপর থেকে মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এসব মামলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দমনের জন্যই করা হচ্ছে। দ্রুতই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিএনপির ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে, দলের নির্দেশমত তারা আন্দোলন সংগ্রামে কিংবা নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় থাকবে।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ