সোমবার ১৭ জুন, ২০১৯

বিআরটিসি কাউন্টার: এসপির হস্তক্ষেপে চাষাড়ায় বসেছে, মেট্রোতে বন্ধ

রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ১৯:২৮

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: পরিবহন নেতাদের বাধার মুখে দেড় দিন বিআরটিসি এসি বাসের চাষাড়া কাউন্টার বন্ধ থাকার পর জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে আবার বসানো হয়েছে। এদিকে মেট্রো হলের সামনে থাকা বিআরটিসি’র কাউন্টারটি এখনো বন্ধ রয়েছে।

গত বুধবার (২২ মে) সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ১৫টি বিআরটিসি এসি বাসের উদ্বোধন করেন। গুলিস্তান থেকে ওই দিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাসের যাত্রা শুরু হয়। বাস সার্ভিসটি চালু করার পর থেকেই ক্ষমতাসীনদের বাধার মুখে পড়ে। চাষাড়ায় বেসরকারি এসি বাস ‘শীতল’ ও নন এসি বাস ‘হিমাচল’ পরিবহনের কাউন্টারের মাঝামাঝি স্থানে অস্থায়ী কাউন্টার বসানো হলে তাতে বাধা দেয় বাস ও মিনিবাস পরিবহন মালিক সমিতির লোকজন। শুক্রবার বিআরটিসি কাউন্টার তুলে দেয় তারা। পরে শনিবার সকালে বসতে গেলেও কাউন্টারে ভাঙচুর চালানো হয়। শনিবার সারাদিন চাষাড়া ও মেট্রো হলের সামনের বিআরটিসি’র কাউন্টার বন্ধ থাকে। এদিকে ওইদিন বিকেলে বিদ্যানিকেতন হাই স্কুলে এক ইফতারের আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘বিআরটিসি কাউন্টার বসবে। আর কাউন্টার বসাতে সহযোগিতা করবে পুলিশ।’

জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে রোববার (২৬ মে) সকালে বিআরটিসির চাষাড়া বাস কাউন্টারটি বসানো হয়। কিন্তু কাউন্টারটি স্থানান্তরিত করে শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টারের পাশে অস্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়। এদিকে মেট্রো হলের বাস কাউন্টারটি এখনও বন্ধ অবস্থায় আছে।

চাষাড়ায় বিআরটিসি’র বাস কাউন্টারে থাকা টিকেট বিক্রেতা মো. কামাল হোসেন জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রাফিক পুলিশের টিআই শরফুদ্দিন এসে আমাদের বলেন, ‘তোমরা আপাতত এখানে বসো। আমরা তোমাদের ম্যানেজারদের সাথে কথা বলে অন্য জায়গায় বসার সুযোগ করে দিবো।’

কামাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাউন্টার এখন এত দূরে হওয়ায় আমরা যাত্রী পাচ্ছি না। শীতল, হিমাচল, উৎসব ও বন্ধনের কাউন্টার আমাদের থেকে সামনের দিকে হওয়ায় থেকে সব যাত্রী ওই সব পরিবহনেই যাতায়াত করছে। কারণ, তারা এতদূর হেটে এসে এখানে টিকেট কাঁটতে চাইছেন না। আর আমাদের কাউন্টার অস্থায়ী হওয়ায় আমরা কোন যাত্রী ছাউনি দিতে পারিনি। তাই বাসের জন্য যাত্রীদের রোজার মধ্যে এই রোদে দাড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হয় তাই আমাদের টিকেট বিক্রির পরিমাণ খুবই কম।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ