শুক্রবার ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

বাজারে ইলিশের ঝিলিক, হাসি ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৩৩

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: এবার ইলিশের মৌসুমে বাজার ভর্তি রূপালি ইলিশে। নদী ও সাগরে ইলিশ থাকায় ও ধরা পড়েছে ঝাকে ঝাকে ইলিশ। তাই চাহিদার তুলনায় বাজারে এসেছে অধিক পরিমাণ মাছ। অন্যদিকে ইলিশের দামও হাতের নাগালে চলে আসায় খুশি সাধারণ ক্রেতারা। মাছের সরবরাহ ও ক্রেতা সমাগম বেশি থাকায় খুশি বিক্রেতারাও।

শুক্রবার (৩১ আগস্ট) নগরীর প্রধান বাজার ‘দিগুবাবু বাজার’ ঘুরে দেখা গেল, বাজার ভর্তি ইলিশ। ইলিশের আকার অনুযায়ী দরদাম করে মাছ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। অন্যান্য সময় সারা বাজারে দুই থেকে তিনজন ইলিশ বিক্রি করলেও আজ ইলিশ বিক্রেতাদের সংখ্যা ছিল লক্ষণীয়। ক্রেতা সমাগমও ছিল লক্ষণীয়। মাছের সরবরাহ ও ক্রেতা সমাগম বেশি থাকায় খুশি বিক্রেতারা। অন্যদিকে বাজারে বড় বড় ইলিশ উঠায় ও সল্পমূল্যে ইলিশ পাওয়ায় খুশি ক্রেতারাও। বিক্রেতারা জানান,‘এখন ইলিমের মৌসুম। নদীতে মাছ বেশি। আর জালেও অনেক মাছ ধারা পড়ছে। এজন্য চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। বিক্রিও হচ্ছে অনেক ভালো।’

দিগুবাবু বাজারের শেষ তথ্য মতে, এক কেজির বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। মাঝারি আকারের ৮০০গ্রামের একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে এবং ৭০০ বা ৬০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।

ইলিশ বিক্রেতা মঙ্গল বর্মণ বলেন, ‘নদীতে ভুরি ভুরি মাছ। বাজারে দাম কম। এখনই তো ইলিশ খাওয়ার সময়। বছরের অন্য সময় দামের কারণে তো মানুষ ইলিশ খাইতে পারে না।’

শফিকুল ইসলাম নামে একজন বেসরকারি কর্মকর্তা জানান, ‘আজ মাছের দাম অনেক কম। ২দিন আগেও ১৫০০, ১৭০০টাকা কেজি ইলিশ দেখে ফিরে গিয়েছি। আজ দাম কম থাকায় এক সঙ্গে ২০০০টাকায় দুটি মাছ কিনে নিলাম।’

দিলারা বেগম একজন গৃহিনী। তার হাতেও একজোড়া ইলিশ। তিনি বলেন, ‘পরিবারের সবাই ইলিশ খুব পছন্দ করে। কিন্তু সমর্থে কোলয় না বলে কেনাও হয় না আর খাওয়াও হয় না। এখন মাছগুলোর দাম কিছূটা হাতের নাগালে। তাই কিনে নিলাম। আমার ছোট ছেলে ইলিশ ভাজা খুব পছন্দ করে। আর মেয়ে ভালোবাসে ইলিশ মাছের জোল। আজ দুটাই করবো।’

বিপুল পরিমাণ ইলিশ সরবরাহের প্রভাব পরেছে অন্যান্য মাছের উপরে। ইলিশের দাম কম থাকায় অন্যান্য মাছের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে না ক্রেতারা। মাছের দাম কম থাকলেও বিক্রি তেমন হচ্ছে না।

সব খবর
অর্থনীতি বিভাগের সর্বশেষ