শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বর্তমান সাংসদ যেখানে এসে থেমেছেন, সেখান থেকে শুরু করবো: দিপু

শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:৫৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

সৌরভ হোসেন সিয়াম (প্রেস নারায়ণগঞ্জ): একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা আর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে হবে আগামী সংসদ নির্বাচন। ফলে নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী ঢামাঢোল বাজতে শুরু করে দিয়েছে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকার জন্য চালাচ্ছেন জোড় প্রচারণা। উঠান বৈঠক, পথসভা, গণসংযোগ নানাভাবে তারা প্রচারনা চালাচ্ছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু। আওয়ামীলীগ নেতা ছাড়াও তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক চারবারের নির্বাচিত সভাপতি ও তিনবারের সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচনের আগে মনোনয়ন প্রাপ্তি ও পরবর্তীতে তাঁর পরিকল্পনা সহ নানা বিষয় নিয়ে এই আইনজীবী নেতার মুখোমুখি হন প্রেস নারায়ণগঞ্জ। সাক্ষাতকারে উঠে আসে নানা কথা। প্রেস নারায়ণগঞ্জের পাঠকদের জন্য সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকাটি তুলে ধরা হলো।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: কেমন আছেন?

আনিসুর রহমান দিপু: ভালো।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: প্রথমে আওয়ামীলীগে যুক্ত হওয়ার গল্পটা শুনি।

আনিসুর রহমান দিপু: পারিবারিকভাবেই আওয়ামীলীগে আসা। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে যে স্বাধীনতার ঘোষণা করা হয়েছিল সেই মরহুম এম এ হান্নানের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিলেন আমার বাবা ভাষা সৈনিক আবেদুর রহমান খান। কলেজ জীবন থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ভাষা আন্দোলনের কারণে কারাবরণও করেন তিনি। আমার বাবার চাচাতো ভাই শহীদ বুদ্ধিজীবী। আমার আরেক চাচা হাসেম খান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। আমাদের পারিবারিক পরিবেশটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির পক্ষে। মানুষ যখন অ, আ শেখে আমরা তখন বঙ্গবন্ধু শিখেছি, স্বাধীনতা শিখেছি।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: তাহলে কত বছর পার করলেন আওয়ামী পরিবারে?

আনিসুর রহমান দিপু: আগেই বলেছি, আমার পরিবারই ছিল রাজনৈতিক পরিবার। আমি অফিসিয়ালি ছাত্র রাজনীতি শুরু করি ৭৫’র পর থেকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেখি আমার বাবা কান্না করছেন। আমি ১৬ আগস্ট আমার প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে গেলাম। আমি দেখি আমার শিক্ষক হাউমাউ করে কান্না করছেন। তখন আমার কিশোর মনে সেই কান্না দাগ কাটে। তখন থেকেই আমার মনে হয়েছে, এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের বিচার হওয়া উচিত। বিচার চাওয়ার পথ ধরেই আমার রাজনীতিতে যাত্রা শুরু। এরপর ১৯৮০ সনে বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হবার মাধ্যমে আনুষ্ঠনিকভাবে আমার রাজনীতির যাত্রা শুরু।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ১৯৮০সাল হিসেব করলে ৩৮ বছর। এই দীর্ঘ সময় যাবত আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আছেন। চাওয়া পাওয়ার হিসেব কি কখনো কষেছেন?

আনিসুর রহমান দিপু: একজন রাজনৈতিক কর্মীর কিছু চাওয়া পাওয়া থাকতেই পারে। রাজনীতির মূল ব্যাপারটা হচ্ছে একটি আদর্শকে সামনে রেখে রাজনীতি করা। সেখানে আমাদের টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা। সে অনুযায়ী আমাদের জেনারেশনটা সেটিসফাইড। কেননা আমাদের চোখের সামনে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, আংশিক কার্যকরও হয়েছে। এরপর রাজনীতি করতে গেলে আপনি আপনার আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে গেলে পদ-পদবীর প্রয়োজন আছে। আমি আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে শহর আওয়ামীলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারী ছিলাম, পরবর্তীতে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হইছি। কাজ করার পরিধি ও ক্ষেত্র আমি পাইছি। এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে জাতীয় কমিটির মেম্বার করছে। এটা আমার একটা বিরাট পাওয়া। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, রাজনীতির পাশাপাশি আমি নারায়ণগঞ্জ বারের চারবারের প্রেসিডেন্ট ও তিনবার সেক্রেটারী নির্বাচিত হয়েছি। আমি আওয়ামীলীগ করি বলেই হতে পেরেছি। ইনডিভিজুয়ালি আমি আনিসুর রহমান দিপু নাথিং। আওয়ামীলীগের আনিসুর রহমান দিপু বারের সভাপতি, সেক্রেটারী, আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তো আপনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী?

আনিসুর রহমান দিপু: একজন রাজনৈতিক কর্মীর রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য জনপ্রতিনিধি হবার স্বপ্ন দেখাটা স্বাভাবিক।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: সে অনুযায়ী আপনার প্রস্তুতি কেমন?

আনিসুর রহমান দিপু: আলহামদুলিল্লাহ! আমার প্রস্তুতি আছে। আমি ২০০৮ সনে নমিনেশন চাইছি। আমি তখন বিবেচনায় আসি নাই। তারপর বিবেচনায় না আসলেও নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিছেন তার পক্ষে আমি কাজ করেছি। আমি ৯৬ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ছিলাম। ২০০১ এ মহাজোট নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ছিলাম। ২০০৮ এ নমিনেশন না পেলেও আমি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে আমি আমার পাঁচটি আসনের ক্যান্ডিডেটের জন্য যতোটুকু করার ততটুকু করছি। এবার আমি আবার নমিনেশন চাচ্ছি। আমি মনে করি, নেত্রী যদি আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকান্ড, দলের প্রতি আনুগত্য, দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীর পাশে দাড়ানো থেকে শুরু করে সবকিছু বিবেচনা করে নেত্রী যদি মনে করেন আমি যোগ্য তাহলে তিনি আমাকে নমিনেশন দেবেন। মাঠের অবস্থা বিবেচনা করে নেত্রী আমাকে নমিনেশন দিলে আমি বিশ্বাস করি, নেত্রীর দোয়া নিয়ে, জনগণকে সাথে নিয়ে আমি সফল হবো।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: এবার স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের আওয়াজ উঠেছে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেই নৌকা চাই। সে অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী দেখা যাচ্ছে। তাদের থেকে নিজেকে কিভাবে এগিয়ে রাখছেন?

আনিসুর রহমান দিপু: আমি এগিয়ে নাকি পিছিয়ে, বিষয়টা আমি এভাবে বিবেচনা করতে চাই না। আপনি বলেছেন, পাঁচটি আসনে নৌকার কথাটি। আমার দীর্ঘ আঠারো বছর যাবত আমরা নৌকায় ভোট দিতে পারি নাই। মাঝখানে কেবল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আমরা নৌকায় ভোট দিতে পেরেছি। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা ভোট দিতে পারি নাই। যে নৌকার জন্য মুক্তিযুদ্ধ, দেশ স্বাধীন হলো, যে নৌকার কারণে আমার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ করি সেই নৌকায় ভোট দিতে পারি নাই। স্বাভাবিকভাবেই তাই নৌকার ডাক উঠেছে। নারায়ণগঞ্জের হেড কোয়ার্টার নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। এই হেড কোয়ার্টারে যদি আমাদের দলের প্রতিনিধি না থাকে তাহলে দলের বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব পড়ে।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আপনি মনোনয়ন না পেলে কি করবেন?

আনিসুর রহমান দিপু: ২০০৮ এ আমি মনোনয়ন চেয়েছিলাম পাই নাই। এস এম আকরামকে নৌকার প্রতীক দেয়ার পর রাষ্ট্রীয়, দেশ ও জোটের স্বার্থে তাকে উইড্রো করা হলো। আমরা কিন্তু বসে ছিলাম না। আমরা জান-প্রাণ দিয়ে কাজ করেছি। এবারে আমাদের দাবি আমরা নৌকা প্রতীকে ক্যান্ডিডেট চাই। সেটা আমি কিংবা আমার চেয়ে যোগ্য কেউ যদি থাকে তাকে দিলেও তার পক্ষে আমি আছি।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: মহাজোট সরকার থাকার সম্ভবনা অনেকটা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বন্ধু হারাতে চাই না। আর মহাজোট থাকলে ৫ আসনে লাঙলকে ছাড় দেয়া হয়। সেটাকে কিভাবে দেখছেন?

আনিসুর রহমান দিপু: রাজনৈতিক মেরুকরণ প্রতি মুহুর্তে চেঞ্জ হচ্ছে। আজকে এরশাদ সাহেব বলছেন, ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবেন। কাল ভিন্নও হতে পারে। মহাজোট তো আর শুধু জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নয়। আরো অনেক দল আছে। পাশাপাশি নতুন কিছুও তো আসতে পারে। প্রথমে আওয়ামীলীগ ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে এরপর জোটের কথা আসবে। নেত্রী সবকিছু ভালো বোঝেন। কি করলে দেশের উন্নয়ন হবে, কিভাবে আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসতে পারে সেটা নীতিনির্ধরকরাই ভালো বোঝেন।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন কি?

আনিসুর রহমান দিপু: প্রশ্নই আসে না।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: মনোনয়ন পেলে আপনার পরিকল্পনা কি?

আনিসুর রহমান দিপু: দীর্ঘদিন যাবত নারায়ণগঞ্জ সদর তো অবশ্যই, বন্দর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা চরমভাবে অবহেলিত। সেই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে নির্বাচনী যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বো। যদি সফল হই তাহলে এই সদর আসনকে উন্নয়নের একটি মডেল হিসেবে রুপান্তরিত করবো। এটাই আমার পরিকল্পনা।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আপনি আওয়ামীলীগের নেতার পাশাপাশি আইনজীবীদেরও নেতা। আগামী নির্বাচনে আপনি মনোনয়ন পেলে আইনজীবীদের কাছ থেকে কি রকম সহযোগিতা পাবেন বলে মনে করেন?

আনিসুর রহমান দিপু: আমার বিশ্বাস, সদর-বন্দরের যে আইনজীবীরা আছেন তারা আমার ৮ বছরের কর্মকান্ড বিবেচনা করে দল-মত নির্বিশেষে আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ধরে নিচ্ছি, আপনি নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেলেন। কিন্তু মনোনয়ন পেলেও জনগণ আপনাকে ভোট দিবে কেন?

আনিসুর রহমান দিপু: প্রথম কথা হচ্ছে, নৌকাকে ভোট দিবে, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দিবে। এটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন, স্থানীয় কোন নির্বাচন না। শেখ হাসিনার দেশের প্রতি যে আন্তরিকতা, দেশের উন্নয়নের জন্য তাঁর যে কষ্ট সেটা দেখে মানুষ শেখ হাসিনাকে ভোট দিবে, নৌকা মার্কায় ভোট দিবে। অন্যদিক আমার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনে আমি সব সময় মানুষের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছি। আমি মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে থেকেছি। সে অনুযায়ী, মানুষ আমার দিকটা বিবেচনা করবে।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের নির্বাচনে বিগত সময়ে একটি মূল ইস্যু ছিল শীতলক্ষ্যা সেতু। এখন এটার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী নির্বাচনে এটা কতোটুকু প্রভাব ফেলবে?

আনিসুর রহমান দিপু: প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, শীতলক্ষ্যা সেতুর কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু শীতলক্ষ্যা সেতু হবার পর বন্দরের মানুষের সাথে দেশের মানুষের যোগাযোগের উন্নয়নের জন্য যা যা করার তা আমি করবো।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বর্তমান সংসদ সদস্যের সফলতা-ব্যার্থতাকে আপনার দিক থেকে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

আনিসুর রহমান দিপু: আমি এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে চাই না। এটা জনগণের ব্যাপার। উনি অনেক কিছু করেছেন। তবে এতোটুকু বলবো, উনি যেখানে এসে থেমেছেন আমি সেখান থেকে শুরু করবো।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আওয়ামীলীগ আবার ক্ষমতায় আসবে বলে মনে করেন?

আনিসুর রহমান দিপু: আমরা তো শতভাগ আশাবাদী। গত ৫ বছরে বা ১০ বছরে আমাদের প্রতিপক্ষরা এমন কোন কথা বা এমন কোন আশার আলো জনগণকে দেখাতে পারে নাই, যার কারণে জনগণ তাদের পক্ষে মত দিবে। পাশাপাশি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ ও মহাজোট মিলে একটা মধ্যম আয়ের দেশের ভিশন-২১ এর দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। উন্নয়নের এ রকম প্রচুর উদাহরন আছে। এছাড়া আন্তর্জাাতিক মহলে বাংলাদেশের এই উন্নয়নকে মানুষ ‘রোল মডেল’ হিসেবে দেখছে। মানুষ সাবলম্বী হয়ে উঠছে। এখন গরীব বলতে কাউকে খুজে পাওয়া যায় না, সবাই সাবলম্বী। সবার হাতে টাকা আছে। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে কারোর কাছে যেতে হয়না। শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান সহ সকল খাতে উন্নয়ন হচ্ছে। বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে, কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে তোলা হচ্ছে, বাস্তুহারাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, হচ্ছে। এ রকম পদক্ষেপগুলো বিশ্বে প্রশংসিত। জাতিসংঘের মহাসচিব থেকে শুরু করে সবাই বলছে, ‘হোয়াট ইজ ডেভেলপমেন্ট’ এটা যদি জানতে হয় তাহলে বাংলাদেশ থেকে জানো। কিছুদিন আগে পাকিস্তানের এক বুদ্ধিজীবী বলেছেন, বাংলাদেশের মতো আমরা উন্নয়ন করতে চাই। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলতেছে, উন্নয়নের ‘রোল মডেল’ হচ্ছে বাংলাদেশ। এটা আমাদের জন্য বড় অর্জন। জনগণ উন্নয়ন চায়। আর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবার আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আনবে জনগণ।

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: প্রেস নারায়ণগঞ্জকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আনিসুর রহমান দিপু: আপনাকেও ধন্যবাদ।

সব খবর
সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বশেষ