সোমবার ২২ জুলাই, ২০১৯

বন্দর উপজেলা নির্বাচন: শেষ দেখার অপেক্ষায় নারী প্রার্থীরা

শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯, ২২:২৩

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: আগামী ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। প্রচারণার শেষ মুহুর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। দিন-রাত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনজনই। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পক্ষপাতিত্ব করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এমএ রশীদ। একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে গত ৩ জুন বৈঠক করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিনিধি ও সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা। বৈঠকে সর্বসম্মতিতে দুই প্রার্থীকে চূড়ান্ত করার প্রস্তাব ওঠে। এমন প্রস্তাবে অসম্মতি জানান নারী প্রার্থীরা। নির্বাচনের দিন ভোটের লড়াইতে ফলাফল নির্ধারণ হবে বলে অভিমত জানান তারা। তবে সালিমা হোসেন শান্তা নিজেকে জনপ্রতিনিধিদের সমর্থিত প্রার্থী বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে মহানগর মহিলা লীগের সাবেক আহ্বায়ক নুরুন্নাহার বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে একাধিক রকম রাজনীতি হয়। তবে আমি আমার দলনেত্রীর কথা অনুযায়ী নির্বাচন করছি। তিনি বলেছেন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন উন্মুক্তভাবে হবে। দল এখানে কাউকে সমর্থন করবে না। তবু কিছু বড় নেতা এখানে পক্ষ নিচ্ছেন। নারী প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে বড় নেতাদের থেকে গাড়িও পেয়েছে। সেই গাড়িতেই নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমার গাড়ি নেই। তাই আমি পায়ে হেটেই আমার এলাকাবাসীর কাছে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিভিন্ন ভাবে আমার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে আমি কোনো চাপকে ভয় পাই না। আমি আমরা নির্বাচনী প্রচারণা চলিয়ে যাচ্ছি। এলাকবাসীর দোরপ্রান্তে যাচ্ছি প্রচারণার তাগিদে। যাই হোক আমি নির্বাচনে আছি। নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত আমি এবং আমার সমর্থকরা মাঠে থাকবে।’

সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। ভোট তাদের আমানত। তারা আমাকে যোগ্য মনে করেছিলেন বলেই গতবার বিজয়ী করেছিলেন। এবারো তাদের ভোটেই জয়ী হবো বলে আশা আমার। নির্বাচন সুষ্ঠ হলে আমিই জিতবো।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটি বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু সে বৈঠকে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা জানিয়েছি। আমি শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবো। জনগণের সিদ্ধান্তেই আমার হার-জিত হবে। তবে সালিমা হোসেন নিজেকে জনপ্রতিনিধি সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করছেন বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন এমন কথা বিভিন্ন জায়গায় শুনেছি।’

এদিকে বন্দর থানা মহিলা লীগের সভাপতি সালিমা হোসেন শান্তা বলেন, ‘ওনারা তো এসে বলেন নি যে এটা আমার ক্যান্ডিডেট। তারা তো প্রেস ব্রিফিংও করেননি। আর এলাকবাসী তো কত কিছুই বলে। তাদের কথায় যদি সব হতো তাহলে তো আর নির্বাচন হতো না। জনগণই শেষ কথা। তারা তাদের ভোটের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করবেন।’

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ