বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বন্দরে ৩ বছরেও শেষ হয়নি ২০ মিটার সেতুর কাজ

রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ২১:৫৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: তিন বছরেও শেষ হয়নি বন্দরের লক্ষণখোলা সেতু নির্মাণ কাজ। ঠিকাদারের গাফিলতি, পুরনো সেতু ভাঙ্গায় দীর্ঘসূত্রিতা এবং ব্রিজের আশপাশের জায়গা দখল মুক্ত করতে কালক্ষেপণের কারণে শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণ কাজ। সেতুটির দৈর্ঘ্য মাত্র ২০ মিটার ।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপেরেশনের ২৫ নং ওয়ার্ডে জাইকার অর্থায়নে স্বল্প দৈর্ঘ্যরে এ সেতু নির্মাণ কাজ শুরু ২০১৭ সালের ৫ মার্চ। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সেতু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ওই ওয়ার্ডের প্রায় ২০ হাজার বাসিন্দা।

লক্ষণখোলা এলাকার আবু তাহের জানান, এক বছরের কাজ দীর্ঘ ৩ বছরেও সম্পন্ন করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। নির্মাণ কাজে ধীর গতির কারণে জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চকোরিয়া কনস্ট্রাকশনের সত্ত্বাধিকারী গিয়াসউদ্দিন আহমেদ সেতু নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী পান। নতুন সেতু নির্মাণের জন্য তিনি ৩ বছর আগে পুরনো সেতুটি ভেঙ্গে ফেলেন। এরপর নতুন সেতু নির্মাণ শুরু হলেও কাজে ধীর গতির কারণে ৩ বছরেও সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে সেতু নির্মাণস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এ সময় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, দুই বছর আগেই কাজের মেয়াদকাল শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও নির্মাণ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার। ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এ পথে যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনায়েত হোসেন বলেন, সেতুর কাজ শেষ। ঈদের আগেই মানুষ ও যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে আশা করি।

ঠিকাদার গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, লক্ষণখোলা সেতু নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। এখন চলছে অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ। ঈদুল ফিতরের আগেই সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। পুরনো সেতু ভাঙ্গতে অনেক সময় লেগেছে। এ ছাড়া সেতুর দুই পাশের জায়গা দখল মুক্ত করতে সময় লেগেছে অনেক।

সিডিউল অনুযায়ী কাজ হয়েছে এবং কোন অনিয়ম কিংবা গাফিলতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ