সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বন্দরে সাবদীর ঘটনায় দুই পুলিশ ক্লোজড

রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৩২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বন্দরে ম্যাজিস্ট্রেট সেজে অর্থ আদায়ের অভিযোগে আটক পুলিশ সোর্স শামীমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই কাজে সহযোগিতা করার অভিযোগে এএসআই আমিনুল হক ও আনোয়ারকে বন্দর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিচয় গোপন করে বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত ছিল সোর্স শামীম। তাকে নিয়মিত একটি মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনিক কারণে ওই দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বন্দরের সাবদী এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেট সেজে অর্থ আদায় করার সময় ওই সোর্সকে আটক করে স্থানীয় এলাকাবাসী। এ সময় দুই পুলিশ কর্মকর্তা পাশ্ববর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে বন্দর থানার এএসআই আমিনুল হক, আনোয়ার ও সোর্স শামীম ভ্রাম্যমান আদালতের কথা বলে বন্দরের সাবদী এলাকার নান্নুর মুদি দোকানে জরিমানা করে। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসী ও আশেপাশের লোকজন বিভিন্ন প্রশ্ন করলে তাদের কাছ থেকে সদুত্তর না পেয়ে ঘটনাস্থলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সোর্স শামীমের উপর চড়াও হন এলাকাবাসী। তাকে মারধর করেন তারা। এ সময় এএসআই আমিনুল ও আনোয়ার পাশ্ববর্তী একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে বন্দর থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ এসে এলাকাবাসীকে নিভৃত করেন এবং সোর্স শামীমকে পুলিশী হেফাজতে থানায় নিয়ে যান।

এদিকে আশেপাশের একাধিক দোকানি অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও সোর্স প্রায় সময়ই তাদের দোকানে আসেন এবং ভ্রাম্যমান আদালতের কথা বলে টাকা পয়সা নিয়ে যান।

এর আগে জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত ছিলেন এএসআই আমিনুল হক। গত বছরের ২৬ আগস্ট রাতে শহরের খানপুর এলাকার ‘মাই লাইফ’ ফাস্টফুডের দোকানিদের সাথে ডিবির সংঘর্ষের ঘটনায় ফাস্টফুডের মালিক জালাল উদ্দিনের স্ত্রী রিনা ইয়াসমিনের দায়ের করা মামলায় এএসআই আমিনুল হককেও আসামি করা হয়।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ