শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বন্দরে দখল ও দূষণে মৃত প্রায় ঐতিহ্যের ত্রিবেনী খাল

বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:৩০

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বন্দরের আবহমান কালের সাক্ষী ত্রিবেনী খালটি দখল ও দূষণের কারণে তার ঐতিহ্য হারিয়েছে। অবৈধ দখলদারিত্বের কারণে খালটি এখন মৃত প্রায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী ও খাল-বিল সাগরের জোয়ারভাটার পানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে পানির প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী সব ধরণের স্থাপনা অবিলম্বে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেও খালটির দুই পাশ জুড়ে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেই প্রশাসনের।

শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা ত্রীবেনি খালটি বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা দিয়ে মিরকুন্ডি সংযোগ হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদীতে গিয়ে মিশেছে। এক সময় এই খাল দিয়ে পাল তুলে নৌকা চলাচল করতো। কিন্তু এখন দুই পাশে অবৈধ দখলের কারণে নৌকা চলা তো দূরের কথা পানি প্রবাহ হতে পারে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শীতলক্ষ্যা নদী থেকে সোনাকান্দা ও রুপালী আবাসিক এলাকার মধ্য দিয়ে দক্ষিন কলাবাগ, রুস্তমপুর, মুকুলদী, নয়ানগড়, মীরকুন্ডি হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদীর সাথে সংযোগ হয়েছে। খালের দুপাশে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করায় ও নিত্যদিন ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে খালটি ড্রেনের রূপে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ৭৮ বছরের বৃদ্ধ করিম মিয়া বলেন, আগে পণ্যবাহী নৌকা চলতো এই খালে। দেখতে পেতাম দাড় বেয়ে নৌকা চালাচ্ছেন মাঝিরা। এখন আর পানির সেই কলকল শব্দ আর শোনা যায় না।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা সামাদ মিয়া বলেন, খালের দুই পাশ দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন আশেপাশের মানুষ খালে ময়লা আবর্জনা বিনা বাধায় ফেলতেছে। খাল তো আর খাল নাই। এই খাল তো এখন মৃত প্রায়।

এ ব্যাপারে সদ্য বদলি হওয়া বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিন্টু বেপারী বলেন, আমি আশা করি ত্রীবেনী খালটি আবার পুরাতন রূপে রুপান্তরিত হবে। অলরেডি মন্ত্রণালয় থেকে খাল খননের অনুমোদন হয়ে গেছে। খুব দ্রুতই কাজ ধরা হবে। খালের দুই পাশে যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে তা উচ্ছেদ করা হবে।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ