সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯

বন্দরে আগামীকাল বিজয় মিছিল হবে: শামীম ওসমান

মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ১৬:৪২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, ‘হয়তো-বা দেখা যাবে শেষ পর্যন্ত রশীদ সাহেবের বিরুদ্ধে কেউই প্রার্থী হবেন না৷ যারা দেশ স্বাধীন করেছেন তাদের সম্মান দেয়ার কারণেই কেউ প্রার্থী হবেন না৷ চেয়ারম্যানের ব্যাপারে আগামীকাল আমাদের বিজয় মিছিল হবে ইনশাল্লাহ৷’

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুর পৌনে ৩টায় বন্দর উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রার্থী এমএ রশীদের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন৷ এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিন্টু বেপারীর কার্যালয়ে সাংসদকে সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন এমএ রশীদ৷

শামীম ওসমান বলেন, ‘বন্দরের অনেকেরই কষ্ট ছিল যে আমরা বন্দরে কম আসি৷ আমি আমার ভাইয়ের নির্বাচনে বন্দরে আসি নাই৷ কিন্তু রশীদ ভাইয়ের মনোনয়ন পেপার দিতে বন্দরে এসেছি৷ যারা বন্দরের ইউনিয়ন আর সিটি কর্পোরেশনের এলাকা নিয়ে খেলতে চান কিংবা খেলেছেন তারা মনে রাখবেন; আগামী ছয় মাসের মধ্যে বন্দরের মাটিকে আমরা অতীতের মতো প্রতিটা ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে কাজ করে শেখ হাসিনার ঘাটিতে পরিণত করবো৷’

এমএ রশীদকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, ‘আজকে পাঁচটার পর রশীদ ভাইয়ের বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হওয়ার খবর যদি পাই তাহলে তাঁর কাছে আমার দাবি থাকবে, বন্দরের রাস্তাঘাটে সকল মানুষকে ইফতারের পর মিষ্টি খাওয়াতে হবে৷’

সাংসদ বলেন, ‘এই এলাকায় বিগত সময়ে চেয়ারম্যান ছিলেন আতাউর রহমান মুকুল৷ তার দলীয় পরিচয় বড় কথা নয় আমি জানি, সে আমার ভাই৷ সে বন্দরে জাতীয় ইলেকশনের সময় তিনি তার দলের থেকেও বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন এলাকার উন্নয়নকে৷ তাই আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ৷ কে কোন দল করি বড় কথা নয়, উন্নয়ন সবাই মিলে করতে হবে৷’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার হাতে তৈরি, আমার ছোট ভাই সালাম ছিল উপজেলার প্রার্থী, আমার অত্যন্ত প্রিয় মানুষ দেলোয়ার সাহেবও প্রার্থী ছিলেন৷ আরো অনেকেই প্রার্থী ছিলেন, আরো দুয়েকজন প্রার্থী আছেন৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধা এমএ রশীদ সাহেবকে মনোনয়ন দেয়ার পর আমার সাথে কথা হয়েছে সালাম, দেলোয়ার ভাই, মুকুল সাহেবের সাথে কথা হয়েছে৷ তারা বলেছেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান করা৷ সবাই জাতির জনকের কন্যার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন৷’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, সহ সভাপতি আরজু রহমান ভূইয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবেদ হোসেন, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু ভূইয়া, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাম, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু, ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী আব্দুস সামাদ, সাধারন সম্পাদক আশিক আহম্মেদ, কদমরসুল পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন জনি, আওয়ামী লীগ নেতা মোসাদ্দেক হোসেন আঙ্গুর, যুবলীগের ২৩ নং ওয়ার্ড সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ শরিফ মিয়া, সাইদুল ইসলাম কুদ্দুস মৃধা, মোঃ আজিজ, মশিউর রহমান সুজু, ২৪ নং ছাত্রলীগের সভাপতি রাজু আহম্মদ সুজন, সাধারন সম্পাদক খুশরান আহম্মেদ, ২৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আজিজুল হাকিম, ২৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শ্যামল মৃধা, ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত কবির ফাহিম, মারুফ কবির মৃধা, পিয়াস কবির মৃধা প্রমুখ।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ