সোমবার ২০ আগস্ট, ২০১৮

ফতুল্লায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ

বুধবার, ২৫ জুলাই ২০১৮, ২২:০৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: গত তিন দিনের হালকা ও ভারী বর্ষণে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকে পড়েছে বাসা-বাড়িতে। ডুবে গেছে রান্না ঘরও। জলাবদ্ধতার পানির সঙ্গে শিল্পকারখানার ক্যামিকেলযুক্ত বিষাক্ত পানি মিশে একাকার হয়ে গেছে। দুর্গন্ধযুক্ত এ পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষ।

ফতুল্লার সস্তাপুর, রামারবাগ, বৌ-বাজার, হক বাজার, লালখা, উকিলবাড়ি মোড়, তক্কার মাঠ-পিলকুনি রোড, ফতুল্লা রেল স্টেশন, জোড়া মসজিদ, নন্দলালপুর, লালপুরের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে জ্বলাবদ্বতা। এসব এলাকার ভেতর লালখা ও রামারবাগে দীর্ঘদিন ধরে পানি আটকে রয়েছে জনসাধারনের চলার পথে।

বুধবার দুপুরে (২৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, এসব এলাকার অধিকাংশ সড়ক ও অলিগলিতে ড্রেনের পানি উপচে রাস্তার অস্তিত্ব বিলীন করেছে। ভরাট হয়েছে অনেক জলাশয় আর ড্রেনের প্রশস্থতাও অপর্যাপ্ত। যেটুকু আছে তাও ময়লা আবর্জনায় আটকে গেছে। ফলে দৈনন্দিন মানুষের ব্যবহার্যের পানিই সরতে পারে না। তার উপর বুধবার সকালে প্রবল বর্ষণে সারা নারায়ণগঞ্জের মত ফতুল্লাও ডুবে গেছে বৃষ্টির পানিতে। যে সকল এলাকা আগে থেকেই পানিবন্দি সেসব এলাকার ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করে ভোগান্তির সীমা চরমে গিয়ে ঠেকেছে। নষ্ট হয়েছে অনেকের টিভি-ফ্রিজসহ কাঠের আসবাবপত্র। কেউ কেউ ঘরের আসবাবপত্র ইট দিয়ে উঁচু করে রক্ষা পাবার চেষ্টা করেছেন। কিন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে তাতেও শেষ রক্ষা হবে না।

ফতুল্লার লালখাঁ এলাকার বাসিন্দা ইউসুফ(৫৫) বলেন, রাস্তাটি উঁচু করার পরেও সামান্য বৃষ্টিতে পানিতে নিমজ্জিত থাকে। এই রাস্তার ড্রেনেজ ব্যবস্থা এতটাই খারাপ যে অল্প পানিও সরতে কয়েকদিন লেগে যায়। আর বৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে পুরো রাস্তা খালে পরিনত হয়। এই পানি সরে যাবার কোন রাস্তা নেই। পুরো বর্ষা সিজন শেষে পানি না শুকানো পর্যন্ত আমাদের এই ভোগান্তি পোহাতে হয়।

ফতুল্লার রামারবাগের বাসিন্দা আলী সরকার (২৮) নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই পানি মানুষের ঘরে ঢোকা শুরু করে। রিক্সা নিয়েও রাস্তায় চলাচল করা দায়। ভাঙা রাস্তায় রিক্সাওয়ালারাও রিক্সা টানতে পারে না। কাদায় গাড়ির চাকা আটকে যায়। কয়দিন এই যন্ত্রনা ভোগ করতে হবে কে জানে।

সব খবর
জনদুর্ভোগ বিভাগের সর্বশেষ