বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর, ২০১৯

প্রশাসনে লাল ফিতার দৌরাত্ম থাকবে না: এডিসি রেহেনা

রবিবার, ১১ আগস্ট ২০১৯, ১০:১০

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে প্রশাসনে লাল ফিতার দৌরাত্ম থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রেহেনা আকতার। তিনি বলেছেন, ‘আইসিটিতে দেশ এখন অনেক এগিয়ে গেছে। সারা পৃথিবী এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। যখন যে তথ্য চাচ্ছি, পেয়ে যাচ্ছি। ২০০৮ সালেও আমরা অনুধাবন করতে পারিনি দেশ এতদূর এগিয়ে যাবে। আমরা এখন পেপারলেস অফিসের কথা ভাবছি। সেখানে কোনো কাগজ থাকবে না। অনেক সময় শুনতে হয় লাল ফিতার দৌরাত্ম। ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে এ বিষয়গুলো আর থাকবে না। সে লক্ষ্যে আমাদের ই-ফাইলিং কার্যক্রম চলছে।’

শুক্রবার (৯ আগস্ট)বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের সেবা প্রদান ও ভোগান্তি হ্রাসে জেলা প্রশাসন অনেক এগিয়ে গেছে। যেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এক সময় মানুষ সরকারি অফিসারের কক্ষে প্রবেশ করতে সাহস পেতো না কিন্তু এখন তা পারছে। আইসিটির ক্ষেত্রে আমাদের এখন ইউনিয়ন পর্যায়েও তথ্য সেবা আছে। সোনারগাঁ পানাম নগরের স্থাপনাগুলো রিফরমেশনের কাজ হচ্ছে। একটা সময় স্থাপনাগুলো যে পর্যায়ে ছিল এখন তা নেই। আগের আদলে সেগুলোকে গড়ে তোলা, রক্ষনাবেক্ষণ করার মত কাজগুলো হচ্ছে। সেখানে প্রতœতত্ত্ব বিভাগ রয়েছে, উপজেলা অফিসার এ বিষয়গুলো দেখাশোনা করছেন। এগুলো আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য এগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতেই হবে। সরকার এটি করছেন।’

রেহেনা আকতার এর আগে নারায়ণগঞ্জ দায়িত্ব পালনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসনে সহকারী কমিশনার নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট হিসেবে নারায়ণগঞ্জে দু’বছর আমি দায়িত্ব পালন করেছি। ডেপুটি কালেক্টর, শিক্ষা শাখায়, আরডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। সেখানে কাজ করার সময় তৎকালীন জেলা প্রশাসক সেখানকার শিল্পকলা একাডেমি রিফরমেশনের দায়িত্ব আমাকে দেন। দায়িত্ব পাবার পর আমি ১৫ পয়েন্টের একটি প্রতিবেদন তৈরি করি এবং স্যারকে দেখাই। এছাড়া একাডেমিটি কেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্তও করি। জেলায় বেসরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের বাইরে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা শিল্প সাহিত্যে জেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রেও আমি কাজ করি। তখন শহরে একটি পরিত্যক্ত জায়গা ছিল। স্যার বললেন সেখানে একটি স্কুল করতে। তখন এসব বিষয়ে আমার কোনো ধারণা ছিল না। তবু কাজগুলো করলাম এবং সেখানে একটি কালেক্টর স্কুল তৈরি করি। ভবন তৈরি, শিক্ষক নিয়োগ, বাচ্চাদের পোশাক নির্ধারণ, সিলেবাস তৈরি মোটামুটি সব কাজ নিজে করেছি। তখন নিজের মধ্যে আস্থা তৈরি হলো, একটু চেষ্টা করলেই করা যায়। স্কুলে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা পোশাক পড়ে আসে। আমাকে মিস বলে ডাকে। এই সব উপভোগ করলাম। নারায়নগঞ্জে খুব ভালো সময় কেটেছে।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ