বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে শুধু বাবু ছিলেন!

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০, ২২:৫৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গণভবন থেকে দেশের বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকা বিভাগের ৯ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। ভিডিও কনফারেন্সে তিনি কথা বলেন নারায়ণগঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এইসময় প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধিদের সাথে আগে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সভায় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে একমাত্র উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবু। বাবুর নির্বাচনী এলাকা ও তাঁর বাসস্থান নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে বেশ দূরে কিন্তু কাছাকাছি থেকেও নারায়ণগঞ্জবাসীর পক্ষে কথা বলার জন্য ছিলেন না জেলার মেয়র, আরও ৪ এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কেউই।

ভিডিও কনফারেন্সে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, আপনার (প্রধানমন্ত্রী) নির্দেশিত পথে নারায়ণগঞ্জ যথাযথভাবে কাজ করছে। লকডাউনের মাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কাজ যথাযথভাবে পালন করছে। করোনা ভাইরাস আমাদের সকল উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ থেকে যারা বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন সেখানেই ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, আপনার নির্দেশিত পথে আমরা নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ, কর্মহীন যারা রয়েছেন তাদের জন্য প্রশাসন ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনবরত কাজ করছেন। করোনা শনাক্তের ব্যাপারে যদি গতি একটু বাড়িয়ে দেয়া যায় তাহলে ভালো হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা ভবিষ্যতেও আপনার দিকনির্দেশনা মোতাবেক কাজ করবে। আপনার প্রতিটি নির্দেশনা যথাযথভাবে পালিত হলে অবশ্যই বাংলাদেশ এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবে।

বাবুর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এখানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন বলছি, আমাদের সংগঠনের যারা রয়েছেন তাদের ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে একদম তৃণমুল পর্যায়ে কমিটি করে দিতে হবে। যারা অসহায়, দুস্থ তাদের তালিকা করতে হবে। আমি একথাটা সুনির্দিষ্ট ভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ কাজ করে জনগণের জন্য। কে আমার দলের না, কে ভোট দেয় কি দেয় না সেটা দেখার বিষয় না। যে দুস্থ, অসহায়, যার ঘরে খাবার নাই তার ঘরে খাবার পৌছে দিতে হবে। আমি চাই আওয়ামীলীগের প্রতিটিা নেতাকর্মী সেই মানসিকতা নিয়ে কাজ করবে। আর সেভাবেই তালিকা করবে। আজকে এই মেসেজটি আমি সবার কাছেই পৌছাতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিমধ্যে আমাদের নির্দেশনা চলে গেছে কমিটি করার জন্য। এটি মূলত প্রশাসনকে সাহায্য করবার জন্য। যাতে করে সঠিক নামটি আসে। এই বিষয়টি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারিতে রাখবেন যাতে করে সাহায্য দরকার এমন মানুষদের নাম বাদ না পড়ে। আমাদের প্রচুর খাবার আছে। একটি মানুষও যাতে খাবারের জন্য কষ্ট না পায়।

কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল আমিন, র‍্যাব-১১ এর সিও লেফট্যানেন্ট কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি লেফট্যানেন্ট কর্ণেল আব্দুল্লাহ মোত্তাকিম, জেলা ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন চৌধুরী ইকবাল বাহার, ৩শ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সামসুদ্দোহা সঞ্চয় প্রমুখ।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ