বুধবার ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

প্রগতি লেখক সংঘের সাহিত্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:৪৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের ‘মার্কসবাদ ও নন্দনতত্ত্ব` ও ‘প্রগতি সাহিত্য আন্দোলন’ সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঢাকা বিভাগীয় সাহিত্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় আলী আহাম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তন ও পাঠাগারে এই সাহিত্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতেই কর্মশালা উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু ও সভাপতিত্ব করেন জাকির হোসেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিমল কান্তি দাস।

সাহিত্য কর্মশালার বিষয়বস্তুর মধ্যে ‘মার্কসবাদ ও নন্দনতত্ত্ব` উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রগতিশীল লেখক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জাকির হোসেন। দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয় ‘প্রগতি সাহিত্য আন্দোলন’ উপস্থাপন করেন নজরুল আলম মিন্টু এবং ‘ কবিতার ছন্দ, প্রকরণ ও শৈলী ’ উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু। উপরোক্ত বিষয় বস্তুর উপর আলোচনা করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবি দীপংকর গৌতম, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, নরসিংদী জেলার সাধারণ সম্পাদক মোহসিন খন্দকার, টাঙ্গাইল জেলার সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত হোসেন হিমু, মানিকগঞ্জ জেলার সভাপতি প্রফেসর শ্যামল কুমার সরকার, মুন্সীগঞ্জ জেলার শ. ম. কামাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানী শংকর রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ধীমানা সাহা জুয়েল, রইস মুকুল, রাজলক্ষী, আসমা বেগম, দুলাল সাহা, হাবিব সিদ্দিকী প্রমুখ।

কর্মশালায় আলোচকগন বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে শিল্প সাহিত্যের ক্ষেত্রে নন্দনতত্ত্বের আলোচনায় অনেক স্বর পরিলক্ষিত হয়। মার্কসীয় নন্দনতত্ত্বের মধ্যেও অনেক স্বর নন্দন তত্ত্বকে বিকশিত করেছে। প্রগতি সাহিত্য আন্দোলনও নানান মাত্রায় বিকশিত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও অন্যদিকে একচক্ষু বিশিষ্ট দানবের মত সাম্রাজ্যবাদের সর্বগ্রাসী উন্মাতাল পদচ্ছাপে যখন পৃথিবী রক্তাক্ত ও লন্ডভন্ড, তখন প্রগতিশীল শিল্পী-কবি-সাহিত্যিকদের যুথবদ্ধতা জরুরী হয়ে পড়েছে। দেশ, পৃথিবী ও মানুষের কল্যাণে কমিউনিস্ট-অকমিউনিস্ট, মার্কসবাদী-অমার্কসবাদী, জাতীয়তাবাদী ও মানবতাবাদী প্রগতিশীল লেখক শিল্পীদের এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। বাংলাদেশে প্রগতিশীল শিল্পী লেখকদের অবস্থান অনেক শক্তিশালী, এই অবস্থানকে আরও সংহত করা প্রয়োজন। যদিও কেউ কেউ দলবৃত্তের সংকীর্ণতায় (দল করা অসমীচিন বলছিনে) ও স্বার্থপরতার চোরাস্রোতে নিমজ্জমান, যা মানুষের মধ্যে আস্থাহীনতার জন্ম দিচ্ছে, এর ফলে লেখক শিল্পীদের সম্পর্কে ভিন্ন ধারনারও উৎপত্তি হচ্ছে। এই ক্ষতিকর প্রবনতা থেকে লেখক-শিল্পীদের গণমুখী ও ঐতিহ্যবাহী ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে হবে। নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ও মৈত্রীর সম্পর্ক সুদৃঢ় করাও জরুরী।

সব খবর
শিল্প ও সাহিত্য বিভাগের সর্বশেষ