বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ঘটতে পারে অঘটন!

সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯, ২০:৫৮

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: বন্দরের জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলোচনার পর বন্দর উপজেলা নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নেতা সানাউল্লাহ সানুকে সমর্থন দিয়ে অন্য প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে গেছে। কিন্তু ইভিএম মেশিনে রয়ে গেছে তাদের নির্বাচনী প্রতীক।

তফসিল ঘোষনার আগ থেকে ব্যাপক প্রচারণা থাকলেও সমঝোতার পর সানু ছাড়া বাকি প্রার্থীদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্যে তেমন প্রচারণা চালাননি। যার ফলে মঙ্গলবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা নির্বাচনে এগিয়ে আছেন সানু। কিন্তু অঘটনের সম্ভবনা রয়েই গেছে। কেননা বাকি চার প্রার্থী চাপের মুখে সমঝোতার সুর মেলালেও ভোটারদের মাঝে বিষয়টি রয়ে গেছে আড়ালে। তাদের হাতেই শেষ সিদ্ধান্তটি রয়ে গেছে। সমঝোতা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোন প্রার্থীই নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেননি। এদিকে গোপনে কেউ কেউ প্রচারণা চালিয়ে গেছেন বলেও খবর রয়েছে। সে হিসেবে নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফলই বলে দেবে আসল ঘটনা।

বন্দরে চেয়ারম্যান পদে কোন প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী না থাকাতে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এমএ রশীদ। অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন পাঁচ জন। তারা হলেন, জাতীয় পার্টি নেতা সানাউল্লাহ সানু (উড়োজাহাজ), আক্তার হোসেন (বই), মো. নুরুজ্জামান (তালা), হাফেজ পারভেজ হাসান (চশমা) এবং যুবলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম জুয়েল (টিউবওয়েল)। চেয়ারম্যানের মতোই বিনা বাধায় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার লক্ষ্যেই সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলের বাসায় সব প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এক বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান উভয়ই উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের হওয়াতে ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থীকেই ছাড় দেওয়ার প্রস্তাবনা ওঠে। পরে সানাউল্লাহ সানুকেই ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাকি প্রার্থীরা অনেকটা চাপের মুখেই এই সিদ্ধান্ত মেনে নেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেননি।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৫৪টি ভোট কেন্দ্রে চলবে এই ভোটগ্রহণ। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্দর উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৫শ’ ৫৩ জন। যার মধ্যে নারী ভোটার ৫৬ হাজার ২শ’ ৬৪ জন এবং পুরুষ ভোটার ৫৮ হাজার ৩শ’ ২৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫৪টি। যার মধ্যে ৪০টি ভোট কেন্দ্রই ঝুকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে জেলা পুলিশ।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ