মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮

পূজাকে ঘিরে রঙ বাংলাদেশের নতুন কালেকশন

মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:১২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: সোমবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপুজা। দুর্গা মা’কে বরণ করার জন্য প্রস্তুত হিন্দু সম্প্রদায়। পূজার সকল সরঞ্জাম থেকে শুরু করে খুটিনাটি সকল বিষয়ে উপর দেয়া হচ্ছে বিশেষ নজর। বাদ যায় না পূজায় পোশাকও। প্রতিবারের মতো এবারও শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য নতুন সব কালেকশন নিয়ে সেজেছে বিভিন্ন বুটিক হাউজগুলো।

এরমধ্যে নগরীর খ্যাতিনামা ফ্যাশন হাইজ ‘রঙ বাংলাদেশ’ নিয়ে এসেছে শারদীয় দুর্গাপুজার নতুন কিছু কালেকশন। রঙ বাংলাদেশ থেকে রাখা হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ কিছু চমক। রঙ বাংলাদেশের নতুন এ কালেকশনে রয়েছে সব বয়সের সকল গ্রহকদের জন্য বিশেষ পোশাক।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে চাষাড়া বালুর মাঠ প্যারাডাইস ক্যাবেল ভবনে দেশী দশের মধ্যে অবস্থিত রঙ বাংলাদেশ ঘুরে দেখা গেল, দুর্গাপূজাকে ঘিরে সাজানো হয়েছে পুরো শো-রুম। প্রতিটি পোশাকেই রয়েছে পূজার ছোঁয়া। পূজোর রঙেই যেন সব পোশাক রাঙানো। শো-রুমে ক্রেতাদের ভীড়ও ছিল লক্ষণীয়।

হিন্দুধর্মে সব কিছুর শুরু হয় ‘ওম’ শব্দটি দিয়ে। আর এই ‘ওম’ শব্দটিই হচ্ছে ঈশ্বরের প্রতীক। তাই এই ‘ওম’ শব্দটিকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরী করা হয়েছে রঙ বাংলাদেশের এবারের শারদীয় কালেকশন। প্রতিটি পোশাকে নানাভাবে ‘ওম’ শব্দটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান ও পদ্মফুলকে প্রধান্য দেয়া হয়েছে। আরো রয়েছে গনেশের প্রতিমুর্তি, পেঁচা ও মন্ত্রের প্রিন্ট। পোশাকের রং হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে লাল ও বাসন্তি রঙকে। আর গরমকে মাথায় রেখে প্রতিটি পোশকেই পিউর কটন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে।

এবারের কালেকশনে মেয়েদের জন্য রয়েছে শাড়ী, থ্রি-পিস, টু-পিস, ওয়ান-পিস ও কুর্তি। মেয়ে শিশুদের জন্য রয়েছে ফ্রক, থ্রি-পিস, টু-পিস, ওয়ান-পিস ও কুর্তি। ছেলেদের জন্য রয়েছে পাঞ্জাবী, ধুতি, শার্ট, টি-শার্ট, ফতুয়া। ছেলে শিশুদের জন্যও হয়েছে একই পোশাক।

শাড়ীর মধ্যে রয়েছে সুতি, তাঁত ও হাল্ফ সিল্ক। শাড়ীগুলোর মধ্যে ব্লক, এমব্রয়ডারি, পেচ ওয়ার্ক, হাতের কাজ, কারচুপি ও গ্লাম ওয়ার্ক করা হয়েছে। শাড়ীগুলোর বিক্রয় মূল্য রাখা হয়েছে ৮০০ থেকে ৭৮০০ টাকার মধ্যে। থ্রি-পিস, টু-পিস, ওয়ান-পিস ও কুর্তির জন্য পিউর কটন ও লিলেন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। তার উপর ব্লক, এমব্রয়ডারি ও হাতের কাজ। থ্রি-পিসগুলোর মূল্য রাখা হয়েছে ২২০০ থেকে ৪৬০০ টাকার পর্যন্ত। দু-পিসের মূল্য রাখা হয়েছে ১৩৫০ থেকে ২৫০০টাকা পর্যন্ত এবং ওয়ান-পিসের মূল্য রাখা হয়েছে ৯৬০ থেকে ২৭০০ টাকা পর্যন্ত।

পাঞ্জাবীর জন্য শুধু পিউর কটন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে । কাজ হিসেবে এমব্রয়ডারি ও ব্লক প্রিন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। পাঞ্জাবীগুলোর বিক্রয় মূল্য রাখা হয়েছে ৯০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে। শার্টের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে পিউর কটন ও হাফ সিল্ক। শার্টগুলোতে শুধু স্কিন প্রিন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। শার্টগুলোর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত। টি-শার্টের জন্য পিউর কটন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে।

রঙ বাংলাদেশের চাষাড়া শাখার ম্যানেজার মেহদী প্রেস নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘প্রতিটি পোশাকই পুজার জন্য বিশেষভাবে তৈরী করা হয়েছে। তাই পোশাকের মধ্যে লাল ও বাসন্তি রঙকে বেশী প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। গরমকে মাথায় রেখে প্রতিটি পোশাকেই ব্যবহার করা হয়েছে কটন কাপড়। সে অনুযায়ীই পোশাকের মূল্যগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে।’

 

সব খবর
অর্থনীতি বিভাগের সর্বশেষ