বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে অবিচল হুমায়ূন-জাকির প্যানেল

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: শেষ পর্যন্ত জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বচানে অংশ নিয়েছে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের নামে এড. হুময়ূন কবির ও এড. আবুল কালাম আজাদ জাকিরের নেতৃত্বে নির্বাচনে লড়বে এই প্যানেলটি। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এই প্যানেলটি। প্রার্থীরা বলেন, নির্বাচনে ভোটের লড়াই ও কমিশন বাতিলের আন্দোলন দু’টোই সমান্তরালে চালিয়ে যাবেন।

নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতপ্রাঙ্গণে গণসংযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। এ সময় তারা নির্বাচন কমিশন ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে নানা শ্লোগান দিতে থাকেন। সাধারণ আইনজীবীদের কাছে ভোট প্রার্থনাও করেন তারা।

এ সময় প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী এড. হুময়ূন কবির ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এড. আবুল কালাম আজাদ জাকির ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, আব্দুল হামিদ ভাষানী, মো. খোরশেদ মোল্লা, আনোয়ার প্রধান, মো. রফিক আহমেদ, মো. সাদ্দাম হোসেন, আজম খান, শাহজাদা দেওয়ান, আহসান হাবিব ভূইয়া, জাহিদুল ইসলাম মুরাদ, হাফিজুর রহমান, মো. মজিবুর রহমান, গোলাম সারওয়ার, আয়নাল হক, এড. কেএম টুটুল চৌধুরী প্রমুখ।

পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সাবেক আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, আমরা আইনজীবীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। নিরপেক্ষ ভোট চাই। আমরা না দাড়ালে প্যানেল ঘোষণা দিয়ে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়ে যেতো। গত দুই বছর কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচন কলুষিত করেছে এবং আইনজীবীদের ভোটের অধিকার হরণ করেছে তারা। তাই আমরা প্রতিবাদস্বরুপ আমরা প্যানেল দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এজিএমে নির্বাচন কমিশনের একজনের নাম ঘোষণা করা হয়। সেটা সব আইনজীবী প্রত্যাখ্যান করে। যাকে এজিএমে প্রত্যাখ্যান করেছে তাকেই আবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বানানোটাই বেআইনি। পরে যাদের নাম দেয়া হয়েছে তাদের তো নিয়োগই অবৈধ। কারণ তাদের নাম এজিএমে বলাই হয়নি। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ভোটের রাজনীতি দু’টোই চলবে।

সভাপতি প্রার্থী এড. সরকার হুময়ূন কবির বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন। গত নির্বাচনের মতো অবৈধভাবে একই কমিশন ঘোষণা করা হয়েছে এবারও। আমরা নির্বাচনও করবো, আন্দোলনেও থাকবো। পিপি, জিপি, সরকারি দলের লোক যারা নির্বাচনে এসেছেন তাদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার আহ্বান জানাই। না হলে আমরা ধরে নেবো আপনারা নির্বাচন চান না, প্রহসনের নির্বাচন চান, নির্বাচনে কারচুপি চান।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এড. আবুল কালাম জাকির বলেন, ২৯ তারিখে সুষ্ঠু নির্বাচন চাই আমরা। গত নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করেছিলাম। সে সময় আমাদের কীভাবে ব্যালট বাক্স পাল্টে, ভোট চুরি করে আমাদের পরাজিত করা হয়েছিল তা আপনারা জানেন। আগের রাতে বাক্স ভর্তি করে তা পাশাপাশি রেখে পরে ভর্তি ব্যালট বাক্সের ভোট গণনা করা হয়েছিল। আমাদের প্রার্থীর উপর হাতও তোলা হয়েছিল। আমরা চাই সাধারণ আইনজীবীরা তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পাক। বহিরাগতদের দিয়ে যেন পরিবেশ অশান্ত না করা হয়।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ