বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

‘নিরাপদ নৌরুট চাই’ এসপিকে স্মারকলিপি

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ২০:০৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলমকে স্মারকলিপি দিয়েছে নিরাপদ নৌরুট চাই সংগঠন। বৃহস্পতিবার ১৬ জানুয়ারী দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ৬ দফা দাবিতে এই স্মারকলিপি দেয়া হয়।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবি অ্যাডভোকেট এহসানুল করিম চৌধুরী বাবুলের নেতৃত্বে এইসময় উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারী জেনারেল মো. সবুজ শিকদার, মো. শাহ আলম, আক্তার হোসেন, কবির হোসেন প্রমুখ। এর আগের দিন সংগঠনটি একই দাবিতে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রাচ্যেও ডান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যা, মেঘনা, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী নদীতে প্রতিনিয়ত নৌযানের মাধ্যমে যাত্রী, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি তেল, গ্যাস, বালু, পাথর, কয়লাসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য আনা নেয়ার কাজ করছে। কিন্তু নদীগুলোর উভয় তীরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কলকারখানা, সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, ডকইয়ার্ডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে এলোপাথারি জাহাজ বার্থিং (নোঙ্গর) করে রাখার কারণে নদীপথগুলো সংকীর্ন হয়ে ও নাব্যতা সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি নদীর বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত জাহাজগুলোর কারণেও নদীপথ সঙ্কীর্ণ হয়ে পড়ছে। এসকল কারণে প্রায়শই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে। এছাড়া নৌপথে বিভিন্ন নামে চাঁদাবাজিও হচ্ছে। একারণে সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হচ্ছে। এসকল বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিভিন্ন সিমেন্ট কারখানা, ডকইয়ার্ড, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডকে বারবার অভিযোগ দেয়া হলেও কোন প্রতিকার হয়নি।

৬ দফা দাবিগুলো হলো, শীতলক্ষ্যা নদীর বরফকল ঘাট, বাংলাঘাট, সোনাচরা ঢাকেশ্বরী ঘাট বিআইডব্লিউটিসি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অসংখ্য ডুবন্ত জলযান সরিয়ে নিতে হবে। বিভিন্ন সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, ডকইয়ার্ডসহ যেসকল প্রতিষ্ঠানের সামনে এলোপাথারি বার্থিং (নোঙ্গর) করা বন্ধ করতে হবে। আড়াইহাজারের সাহেব বাজার, রূপগঞ্জের তারাবো সুলতানা কামাল ব্রীজ থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র ইজারার নামে চলন্ত নৌযান হতে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। সৈয়দপুর কয়লাঘাটের শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মানাধীন ব্রীজের দুই পাড়ে বন্ধ রেখে মাঝখানে অল্প জায়গা রাখার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা রোধের জন্য নিয়মমাফিক খলা রাখতে হবে। ঘন কুয়াশায় ও রাতের বেলায় বালুবাহী বাল্কহেড, ট্রলার, ছোট যাত্রীবাহি লঞ্চ চলাচল থেকে বিরত থাকতে হবে। নদীর তীরের সিমেন্ট ফ্যাক্টরীগুলোর জেটি তীরে নিজস্ব জায়গায় সরিয়ে নিতে হবে।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ