বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

না'গঞ্জ-৪ এ সরকারি ও শামীম ওসমানের ত্রাণ পেয়েছে ৪৫৭০০ পরিবার

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২০, ২৩:০২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: করোনা ভাইরাস সংকটকালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে। সরকারিভাবে ও স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত এই ত্রাণ দু:স্থ মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারি সাহায্যের ২৫৭ মেট্টিক টন চাল ও ১২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী ২৫ হাজার ৭২৮টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। দশ কেজি চালের সঙ্গে ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেল কিনে ওই পরিবারগুলিকে প্রদান করা হয়েছে। অচিরেই দু:স্থ শিশুদের মাঝে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হবে।

অপরদিকে শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ২০ হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে খাদ্য সামগ্রী। যা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন। সাথে সাথে করোনার এই ক্রান্তিকালে পূর্ব ঘোষিত এক কোটি টাকার অনুদান দলের অসহায় নেতাকর্মী ও দু:স্থ সাংবাদিকদের মাঝে বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়াও শামীম ওসমান পত্মী সালমা ওসমান লিপি ও পুত্র অয়ন ওসমান ইতিমধ্যেই ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। শামীম ওসমানের নির্দেশনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীরা অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন।

সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদীয় এলাকায় সরকারি সাহায্যের ২৫৭ মেট্টিক টন চাল ২৫ হাজার ৭শ আটাশটি পরিবারের মাঝে (দশ কেজি) বিতরণ করা হয়েছে। দশ কেজি চালের একইসঙ্গে ১২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী (ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেল) ওই পরিবারগুলিকে প্রদান করা হয়েছে। অচিরেই দু:স্থ শিশুদের মাঝে শিশু খাদ্য বিতরণ করা হবে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান জানান, একটানা লকডাউনের কারণে শুধু নিম্ন মজুর বা হতদরিদ্ররাই নন, মধ্য বিত্ত পরিবারগুলোও খাদ্য সংকটে ভুগছেন। তারা না পারছেন কাউকে বলতে না পারছেন চাইতে। করোনা আক্রমণের প্রথম থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে আমার নির্বাচনী এলাকায় ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সাহায্য দেওয়া হয়েছে। আমার কর্মীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাতের আধারে মানুষের দ্বারে দ্বারে এই ত্রাণ পৌছে দিচ্ছেন।

শামীম ওসমান বলেন, যতক্ষণ জীবন আছে ততক্ষন নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য করবো। এটা আমার কর্তব্য। কারণ, যে ভালোবাসা সাধারন মানুষের কাছ থেকে আমার পরিবার ৪পুরুষ ধরে পেয়ে আসছি, তাতে আমরা ঋনী। এই ঋণ শোধ করার মত নয়। তাই শুধু পাশে থেকে কিছুটা হাসি ফোটানো আর আল্লাহকে খুশি করার প্রয়াস মাত্র। খাবার চিন্তা করবেন না। প্রয়োজনে সব কিছু বিলিয়ে দিলেও হলেও একটি মানুষকে না খেয়ে কষ্ট পেতে দিব না। কিন্তু আপনারা দয়া করে আপনারা ঘরে থাকুন। আমরা সবাই এই যুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ও আল্লাহর রহমতে জয়ী হবোই।

প্রসঙ্গত নারায়ণগঞ্জে করোনার আঘাত শুরুর প্রথম থেকেই ফতুল্লার সিদ্ধিরগঞ্জে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শামীম ওসমানের সহধর্মিণী সালমা ওসমান লিপি ও তাঁর পুত্র অয়ন ওসমান। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নেতাকর্মী, বিভিন্ন সংগঠন ও প্রশাসনের মাধ্যমে তাঁরা খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন উপকরণ (মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার) বন্টন করেছেন। শামীম ওসমানও করোনার চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে কর্মরত প্রায় তিনশ জন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তাঁর ব্যবস্থাপনায় করোনা উপসর্গের লোকজনের স্যাম্পল কালেকশনের জন্য একটি বেসরকারী সংগঠন ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এছাড়াও নেতাকর্মীদের করোনা সংকটকালে করণীয় বিষয়েও নানা দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ