সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নারায়ণগঞ্জ সিটি এলাকায় ৩৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্ত ৩২৫!

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০, ১৯:৪১

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। আক্রান্ত ও মৃতের এই দীর্ঘ তালিকার অধিকাংশই সিটি এলাকার। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, নারায়ণগঞ্জ সিটি এলাকায় এ পর্যন্ত মোট ৩৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩২৫ জনই আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ২২ জন। যেখানে জেলায় সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জন। এই পরিসংখ্যান রীতিমতো আতঙ্কের। নারায়ণগঞ্জ সিটি এলাকাটিই এখন করোনার হটস্পট। নমুনা সংগ্রহ ও আক্রান্তের এই তালিকাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ধুম্রজাল। তবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ঠিক আছে কিন্তু নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে যেদিন থেকে নারায়ণগঞ্জে নমুনা সংগ্রহ শুরু হয় সেদিন থেকেই গণনা শুরু হওয়ায় পরিসংখ্যানে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, নারায়ণগঞ্জ জেলায় এ পর্যন্ত ১২০৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে ৪২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ৩৩ জন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকার এ পর্যন্ত ৩৪২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩২৫ জনেরই করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২২ জন। নমুনা সংগ্রহের মাত্রা বাড়লে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও সম্ভবনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের এ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলার সবচেয়ে বেশি করোনা ঝুঁকিতে আছে সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দারা।

সিটি এলাকার সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায়। সেখানে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৬৭ জন ও মারা গেছে ৮। আড়াইহাজার উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১২ জন, সোনারগাঁ উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে ৬ জন ও মারা গেছে ২ জন, রূপগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে ৬ জন মারা গেছে ২ জন এবং বন্দর উপজেলায় আক্রান্ত ৫ জন, মারা গেছে ১ জন।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি ও সদর এলাকা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। আমরা নমুনা সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করছি। সিটি কর্পোরেশন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ উভয় মিলেই নমুনা সংগ্রহ করছি। পিসিআর ল্যাবটা বসাতে পারলে এই সংগ্রহের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে অনুরোধ করবো তারা যেন ঘর থেকে বের না হন। বিশেষ করে সিটি এলাকার লোকজনকে বলবো অতি অতি জরুরি প্রয়োজন না হলে তারা যেন কোনমতেই ঘর থেকে বের না হন। মানুষ ঘরে থাকলেই কেবল এই সংক্রমন থামানো যাবে।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ