মঙ্গলবার ০২ জুন, ২০২০

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নারী স্বাস্থ্যকর্মী হোম কোয়ারেন্টিনে

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০, ১২:২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এক স্বাস্থ্যকর্মী হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কর্মক্ষেত্রে জ্বর কাশি অনুভব হলে গত মঙ্গলবার থেকে তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই নারী স্বাস্থ্যকর্মীসহ তার পুরো পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা (টিকাদানকারী) প্রতিদিন পাড়া মহল্লায় গিয়ে বিদেশ ফেরত মানুষের খোঁজ নিচ্ছেন। যাতে তারা বাসায় কমপক্ষে ২ সপ্তাহ অবস্থান করেন। কিন্তু, অস্পূর্ণ তথ্য নিয়ে বিদেশ ফেরত মানুষকে খোঁজতে গিয়ে একেকজন স্বাস্থ্যকর্মীর অবস্থা অনেকটা গলদঘর্ম। এতে করে তারা নিজেরাই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থায় তারা কাজ শেষে আবার ঘরে ফিরছেন। এমনি অবস্থায় কয়েকদিন আগে কর্মস্থলে এক নারী স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে জ্বর কাশি দেখা দিলে তাকে দ্রুত ১৪ দিনের ছুটি দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়। পাশাপাশি তাকেসহ তার পুরো পরিবারকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্যকর্মী বলেন, ব্যক্তিগত সুরক্ষা ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। আমাদের এখন পর্যন্ত কোন রকমের মাস্ক এবং গ্লাভস সরবরাহ করা হয়নি। একটি এলাকার বিদেশ ফেরত লোকজন খুঁজতে সারাদিন সময় লাগছে। আমরা অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই এলাকায় এলাকায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, এটা সত্য যে তাদের এখনও মাস্ক এবং গ্লাভস দেওয়া হয়নি। তবে অচিরেই তারা সুরক্ষা উপকরণ পাবেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা যেন বাড়িতে না ঢুকে দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করেন তেমন নির্দেশনা দিয়েই তাদের কাজ করতে বলা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ