বুধবার ১৭ অক্টোবর, ২০১৮

না.গঞ্জের ছেলে স্পিনার অপুর হাতে ২৫ সেলাই

মঙ্গলবার, ৭ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৩৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান নাজমুল হাসান অপু। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেন বাহাতি এই স্পিনার। কিন্তু তার অবস্থা এখন গুরুতর, হাতে ২৫টি সেলাই পড়েছে। সেলাই খুলতে সময় লাগবে দুই সপ্তাহের মতো।

সোমবার (৭ আগস্ট) ফ্লোরিডায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের শেষ ও অঘোষিত ফাইনাল ম্যাচে হাতে চোট পান নাজমুল হাসান অপু।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে নাজমুল হাসান অপুর শেষ ওভারের উপর ভর করে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচেই বাংলাদেশের জয়টা পূর্ণতা পেয়েছিল তাঁর উদযাপনে। অথচ শেষ ম্যাচটাতে সিরিজ জয়ের মুহুর্তে থাকতে পারলেন না অপু। হাতের চোট নিয়ে তখন ড্রেসিংরুমে কাতরাচ্ছেন বাঁহাতি এই স্পিনার।

চোট কতটা মারাত্মক, সেটি বোঝা গেল ফ্লোরিডা থেকে দলের ম্যানেজার রাবীদ ইমামের কথায়, সব মিলিয়ে ২৫টি সেলাই লেগেছে নাজমুলের হাতে। সেলাই খুলতে দুই সপ্তাহের মতো সময় লেগে যেতে পারে। চোট সম্পর্কে বাকি কথা এরপরই বলা যাবে।

গতকাল সিরিজের শেষ তিন টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ওই চোট। মারলন স্যামুয়েলসের একটি ড্রাইভ ঠেকাতে গিয়ে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। ওঠার সময় এই প্রান্তে থাকা ব্যাটসম্যান চ্যাডউইক ওয়ালটনের বুটের নিচে পড়ে যায় তাঁর বাঁ হাত। ওয়াল্টনের বুটের চারটি স্পাইক ঢুকে যায় নাজমুলের হাতে। ওয়ালটন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করায় ক্ষতটা আরও বড় হয়েছে। আঙুলের ওপরের অংশ ছিঁড়ে গেছে নাজমুলের।

তখনই মাঠ থেকে উঠে যাওয়া এই স্পিনারকে নেওয়া হয় স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে। চোটটাকে চিকিৎসক ‘বেশ গুরুতর’ বলেই জানিয়েছেন। কারণ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নাজমুলের হাতের শিরাগুলো। নাজমুলের ভাগ্য ভালো যে কোনো শিরা ছিঁড়ে যায়নি। ম্যাচের পর মুঠোফোনে খানিকটা যন্ত্রণাক্লিষ্ট কণ্ঠেই নাজমুল বলেছেন, ‘ব্যথা পেয়েছি, ঠিক আছে। তবে যখন ম্যাচ জিতলাম, তখন সব ব্যথা যেন ভুলে গেছি। এমন জয়ের আনন্দের চেয়ে বড় আর কী আছে, বলুন!’

মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) নাজমুলের চোট নিয়ে বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘ব্যাটসম্যানের পায়ের নিচে চাপ পড়ে হাতের উল্টো পিঠে প্রায় চার জায়গায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এক্স-রে করে দেখা গেছে, হাড়ে কোনো চোট পায়নি। শুধু সফট টিস্যুতে চোট পেয়েছ। আপাতত সেলাই করা হয়েছে। বেশ কিছু সেলাই দিতে হয়েছে চোট সামাল দিতে। এর মধ্যে তিন জায়গার ব্যথা খুব একটা সমস্যা করবে না। একটা যেহেতু জয়েন্টের ওপরে, সেটা সারতে একটু সময় লাগতে পারে। আপাতত দুই থেকে তিন সপ্তাহের বিশ্রাম শেষে সেলাই কাটা হবে। এরপর বোঝা যাবে কতটা সময় লাগতে পারে।

সব খবর
খেলাধুলা বিভাগের সর্বশেষ