সোমবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন ভাবনায় বলদেব জিউর আখড়া মন্দির

রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:০৯

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: প্রতিবছর বিভিন্ন থিম নিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার মন্ডপ সাজালেও এ বছর তা করেনি নিতাইগঞ্জের শ্রী শ্রী বলদেব জিউর আখড়া ও শীব মন্দির কমিটি। অনেকটা সাদামাটা ভাবেই পালন করা হবে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব। তবে সাদামাটাভাবে পূজা উদযাপন করলেও তার পেছনে রয়েছে গভীর ভাবনা ও নতুন প্রজন্মের জন্য নৈতিক শিক্ষা।

পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা জানান, বর্তমান সময়ের আধুনিকায়নে আমাদের নতুন প্রজন্ম জানেই না শারদীয় দুর্গা পূজা আসলে কী। জন্মের পর থেকেই তারা দেখে আসছে পূজার লাইটিং আর চাকচিক্য, ডিজে, গান বাজনা। তারা এখনো বুঝতেও পারছে না পূজার নাড়ু, মোয়া, সন্দেশের স্বাদ কী? পূজায় ঢাকের প্রাধান্য কেন? আমরা চাই নতুন প্রজন্ম এটা জানুক এবং বুঝুক। অনুভব করুক দুর্গা পূজার মূল কী।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সম্পূর্ণ সাদামাটাভাবেই দুর্গাপূজা উৎযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে মন্দিরটি। তবে এই সাদামাটা উদযাপনে রেখেছে আতিথিয়তার নৈতিক শিক্ষা।

জানা যায়, এ বছর মন্ডপ তৈরিতে অর্থ ব্যয় না করে মন্দিরটি সেই অর্থ ব্যয় করছে অতিথিদের প্রসাদ বিতরণে। শারদীয় পূজার প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে মন্দিরে আসা সকল অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে নারিকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু, মুড়ির মোয়া, চিড়ার মোয়া, সন্দেশ ও রকমারি প্রসাদ দিয়ে।

আরো জানা যায়, সপ্তমীর দিন অতিথিদের আপায়নের জন্য সবজি-ভাত, অষ্টমীতে ভুনা খিচুরী, নবমীর দিন লাড্ডু আর দশমীর দিন থাকবে সিদুর খেলা ও নারীদের জন্য বিভিন্ন রকমের নাড়ু।

পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য শুভ্রত সাহা বলেন, ‘দুর্গা পূজার মূল বিষয়টাকে তুলে ধরার জন্য এবং আধুনিকতার চাকচিক্যের মাঝে ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য এ বছর আমরা সাদামাটা পদ্ধতিতে সেই আগের মত করে পূজা উৎযাপন করছি। প্রতিদিন ২ হাজার, ৫ হাজার যত অতিথিই আসুক আমরা তাদের আপ্যায়ন করবো। এ বছর আমরা মন্ডপের চাকচিক্যের পরিবর্তে আতিথেয়তার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

সব খবর
ধর্ম ও নৈতিকতা বিভাগের সর্বশেষ