সোমবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

নগরীতে অস্থায়ী কোরবানির পশুর খাদ্যের দোকান

শুক্রবার, ৯ আগস্ট ২০১৯, ২২:৩১

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নরায়ণগঞ্জ: পবিত্র ঈদ উল আজহার জন্য নগরীর বিভিন্ন স্থানে বসেছে অস্থায়ী পশুর হাট। প্রতিবছরই ঈদের বেশ কিছুদিন আগেই এ সকল হাট থেকে অনেকেই কিনে নেন নিজের পছন্দের কোরবানির পশু। ঈদের দিন পর্যন্ত কোরবানির পশুর পরিচর্যা করেন পরম আনন্দে। আর কোরবানি পশুর প্রধান খাদ্য এই খড়, ভুষি। তাই নগরীর বিভিন্ন স্থানে বসা অস্থায়ী দোকানগুলোতে কোরবানির পশুর খাদ্য সংগ্রহে ভিড় করছেন নগরবাসী।

নগরীর ব্যস্ততম সড়ক ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড। প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা এ সড়কে। শহরতলির যে পথে বড় বড় ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ও দালান সেই পথের বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্ট এখন অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের অবস্থান। যারা খড়, ভুষির মত গ্রাম্য পরিবেশের সাধারণ কিছু পণ্য নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন। শহরতলীর মানুষের সারাবছর এসবের প্রয়োজন না থকালেও বছরের এই সময়টিতে খড়, ভুষির মত গো-খাদ্যের চাহিদা থাকে অনেক। তাই সামান্য পরিমাণে নয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রাক ভরে ভরে আসছে এইসব গো-খাদ্য।

ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোডে দেখা যায় এমন কিছু অস্থায়ী দোকান। দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন রকম গো-খাদ্য। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে খড় ও ভুষি।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি ভুষি ৩০ টাকা, খেসারি ডালের কালো ভুষি ৪০ টাকা, কুড়া ১০ টাকা এবং এক মুঠি খড় ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোডের পাশে আর্মি মার্কেটের বালুর মাঠের সামনে পসরা সাজিয়ে বসেছেন খড়-ভুষি বিক্রেতা নয়ন। তিনি বলেন, ‘গত ৫ বছর ধরে প্রতি কোরবানির ঈদে আমি এবং আমার ভাই জসিম এই ব্যবসা করে আসছি। কালিরবাজারে আমার একটি ফলের দোকান আছে। নিতাইগঞ্জ থেকে ভুষি কিনি আর খড় আনি দিনাজপুর হতে। ভালো বিক্রি হয় আর লাভও হয় মাশাল্লাহ।’

চাঁদমারী এলাকার বাসিন্দা ক্রেতা আজম বলেন, ‘গত মঙ্গলবার রাতে গরু কিনছি। কাল রাতে তার খাবার শেষ। তাই এখন কিনতে আসলাম। ভুষির দাম এক এক জায়গায় এক এক রকম চায়। যার থেকে যেমন দাম নিতে পারে আর কি! তবে শুধু ভুষিই নিবো না। ভুষি তো সারাক্ষণ খাওয়ানো যায় না। তাই বেশি করে খড় নেবো। খড় দামেও সস্তা।’

সব খবর
নগর বিভাগের সর্বশেষ