বুধবার ১৪ নভেম্বর, ২০১৮

ধর্মঘটের পর যানবাহনের চাপ, নগরজুড়ে ভয়াবহ যানজট, ভোগান্তি

মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৩২

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: পরিবহন শ্রমিকদের ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট শেষে মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকাল থেকে নগরে চলছে গনপরিবহন। দুইদন বন্ধ থাকার পর এক যোগে যানবাহন চলাচলে নগরজুড়ে শুরু হয় যানজট। এতে ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রী সাধারণ। দিনভর থেমে থেমে এই যানজটে আটকে নাস্তাবুদ হয়েছে নগরবাসী। তবে ট্রাফিক বিভাগ বলছে দুইদিন বন্ধ থাকায় যানবাহনের চাপ একটু বেশি হওয়ায় যানজট হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকালে সরজমিনে দেখা যায়, চাষাড়া চত্বর, কালিবাজার মোড়, ২নং রেল গেইট, চাষাড়া থেকে পঞ্চপটি সড়কে যানজট। দুইদিন গনপরিবহন না চলার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলের রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি নগরে প্রবেশ করে যানজটের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে।

মাসদাইর এলাকার বাসিন্দা রহমত উল্লাহ কালিবাজার মোড়ে পথের মাঝে বাস থেকে নেমে হাঁটা শুরু করলেন। তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বাসে উঠছি তাড়াতাড়ি বাসায় যাবো। অফিস থেকে চলে আসছি। মেয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে গেছে। এর মধ্যে এতো জ্যাম। তাই নেমে পড়ছি। হেঁটে গেলে বাসে যাওয়ার আগে বাসায় পৌছাতে পারব।

চাষাড়া শহীদ মিনারের সামনে তীব্র যানজট। যানজটে বসে থাকাকালীন সময়ে বন্ধন বাসের একজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, বন্ধন বাসের কাউন্টার থেকে এখানে পৌছাতে প্রায় ১ ঘন্টা লাগছে। ১ ঘন্টা যাবৎ বইসা আছি অথচ ১ ঘন্টায় ঢাকা চলে যাওয়া যায়।

যানজটের মাঝে একজন বয়স্ক ভ্যানগাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে কথা হয়। প্রায় ১৫-২০ টা বস্তা তার ভ্যানে। রাতে কম দেখেন। তাই সন্ধার আগেই পন্য পৌছিয়ে মালিকের কাছে ভ্যান বুঝিয়ে দিবেন। কিন্তু তিনি বলেন, ভ্যান নিয়া দাড়ায় আছি। আগায় না। সামনে অনেক জ্যাম লাইগা রইছে। রাইতের আগে যাইতে পারলেই হয়। চোখে সমস্যা আছে অন্ধকারে চালাইতে পারি না।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. শরফুদ্দিন অতিরিক্ত যানজটের কারণ জানিয়ে বলেন, গত দুই দিনের ধর্মঘটের কারণে গনপরিবহন প্রায় সকল যানবাহন বন্ধ ছিলো। গাড়ি ভাঙচুরের ভয়ে মানুষ গাড়ি বের করেন নাই। সকলের কাজ আটকে ছিলো। আজকে সকল বাস, ট্রাক, পিক আপ, কাভার্ড ভ্যান চলছে। অতিরিক্ত যানবাহন নগরে একত্রে প্রবেশ করছে। এই কারনে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন সড়কে যানজট বেঁধেছে।

সব খবর
জনদুর্ভোগ বিভাগের সর্বশেষ